1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় পুলিশের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য আটক আশুলিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৪৮ বোতল ফেনসিডিল নরসিংদী রাস্তা থেকে এসএসসি পরীক্ষার উত্তর পএ উদ্ধার রাণীশংকৈলে উদ্বুদ্ধকরণ এর আওতায় সজিনা চাষ কার্যক্রমের উদ্বোধন আকস্মিক বন্যায় চোখের সামনেই  তলিয়ে গেছে কৃষকের সোনালী ফসল বোরো ধান মুন্সীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদী ইউএনওর বিরুদ্ধে ষরযন্ত্র করে মিথ্যাচার চালানোর অভিযোগ আশুলিয়ায় ৭ মামলার আসামিসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গৌরনদীতে চোরের বেপরোয়া তৎপরতা, মসজিদও রেহাই পাচ্ছে না-চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী পর্তুগালে নতুন পরিচয়ে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা: রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় মিলছে সাড়া

রাণীশংকৈলে উদ্বুদ্ধকরণ এর আওতায় সজিনা চাষ কার্যক্রমের উদ্বোধন

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: সুপার ফুড খ্যাত সজিনা চাষকে  উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ঠাকুরগাঁওয়র  রাণীশংকৈল উপজেলায় বসতবাড়ী, বিভিন্ন অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চত্বরে ও রাস্তার ধারে সজিনা চারা ও কাটিং রোপন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার  (২৮ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের  ঐতিহাসিক খুনিয়া দিঘি সড়কের ভান্ডারা এলাকায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ  শহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বিশেষ এ উদ্যোগের আওতায় বসতবাড়ির আশপাশ এবং রাস্তার দুই ধারে সজিনা গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বসত বাড়ির উঠান, রাস্তার ধারে, আনাচে কানাচে ও পতিত জমির আইলে প্রায় ২৫ হাজার সজিনা গাছ আছে। প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে কমপক্ষে ১/২টি সজিনা গাছ রয়েছে। যত্ন ছাড়াই এসব গাছ বেড়ে উঠেছে। গাছে ফলনও ভালো হয়। প্রতিবছর সজিনার শাখা বা ডাল রোপণ করা হয়। তবে রোপণকৃত ডালের প্রায় ৩০ শতাংশ মারা যায়।
এ উপজেলায় সজিনার ২টি জাত রয়েছে একটি হালো সিজিনাল এবং আরেকটি বারোমাসি সজিনা। সজিনার ফুল জানুয়ারির শেষ থেকে আসা শুরু করে। এবং বারো মাসি সজিনার গাছে বছরে কয়েক বার ফুল আসে। তবে সব ফুল থেকে ফল হয় না। একটি থোকায় সর্বাধিক ১৫০টি মত ফুল ধরে। ফুল ৪০ সে.মি. থেকে ৮০ সে.মি. পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল ফুটার ২ মাস পর ফল তোলা যায়। একটি বড় গাছে ৪ শত থেকে ৫ শত ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩০-৪০ টি বীজ হয়। দেশে সাধারণ ডাল কেটে ডাল রোপণ করে সজিনা গাছ লাগানো হয়। গত বছর উপজেলায় ৫ হাজার সজিনার ডাল রোপণ করা হয়েছে।
এ উপজেলার সব ধরনের মাটিতে সজিনা আবাদ ভাল হচ্ছে। সজিনা অতি পুষ্টি ও ভেজষ গুনে ভরা সবজি হিসাবে খুব দামী এবং এটিকে সুপার ফুড বলা হয়ে থাকে। সজিনা ও তার পাতা খাওয়া বাদেও গাছের শেকড় ও ছাল ভেষজ ঔষধ হিসেবে ব্যাপক কাজে লাগে। সজিনার ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মুল্যে বিক্রি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা এখন পতিত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সজিনা গাছ লাগিয়ে লাভবান হচ্ছে। উচ্চ মূল্য পাওয়ায় অনেকে বানিজ্যিকভাবে সজিনার চাষ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শফিউল হাসান,উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, আবুল কালাম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, সজিনা গাছের ডাল কাটিং পদ্ধতিতে সহজেই চারা উৎপাদন সম্ভব হওয়ায় এটি দ্রুত সম্প্রসারণযোগ্য। এর পাতা, ফল ও ডাঁটা পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় সাধারণ মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে রাণীশংকৈলের সবুজায়ন বৃদ্ধি, পুষ্টি ঘাটতি পূরণ এবং কৃষকদের আর্থিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, ঠান্ডা-গরম, খরা সহিষ্ণু এ গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রই জন্ম নেয়।  সজিনা গাছে ব্যাপক ফুল ধরে। সজিনা গাছের পাতা, ফুল, কচি পড, বাকল, শিকড় ইত্যাদি শরীরের জন্য উপকারী। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে সজিনা ক্ষেত গড়ে তোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এবার প্রায় সমগ্র উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার সজিনা গাছের চারা রোপন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাতিজা বেগম বলেন, সজিনা একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী গাছ। এর সহজ চাষাবাদ পদ্ধতি এবং দ্রুত বৃদ্ধি গ্রামীণ মানুষের জন্য আয়ের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। সেইসাথে তিনি সকলকে এক দুটি করে সজিনা গাছ লাগানোর আহব্বান জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD