
মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:
সকাল হলে বাঁশের সাঁকো দিয়ে শিক্ষার্থীর পার হচ্ছে প্রতদিন। বর্ষায় পানি বাড়লে সাঁকোটি ডুবে যায়। তখন একমাত্র ভরসা বাঁশের বেলা। চলাচলে ভোগান্তি আরোও বেড়ে যায় গ্রামবাসীর।
খাগড়াছড়ির জেলা মানিকছড়ি উপজেলায় ৩ নং যোগ্যাছোলা ইউনিয়নে গঞ্জ পাড়ায়। ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হচ্ছে গ্রামের শিশুরা।
প্রতি বছর হালদার নদীর উপর শীতের মৌসুমে সেচ্ছায় নির্মাণ করে দেন অ-রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন গঞ্জপাড়া মারমা একতা যুব সংঘ। রবিবার দিনব্যাপী সেঁকো নির্মাণে সহযোগীতা করেন গঞ্জপাড়া মারমা একতা যুব সংঘ সভাপতি অংগ্য মারমা, উপদেষ্টা দোঅংগ্য মারমা, রাপ্রু মারমা, সাধারণ সম্পাদক মংসানু মারমা, সম্পাদিকা উক্রাজাই মারমাসহ অন্যান্য সদস্যরা।
বর্ষায় সাঁকোটি তলিয়ে গেলে গ্রামের মানুষের বাঁশের বেলা দিয়ে পার হয়ে চলাচল করতে বাধ্য হয়। বর্ষায় মৌসুমে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। গ্রামের কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে যেতে পারেন না বাজারে। গঞ্জ পাড়াবাসী দীর্ঘদিন ধরে একটি পাঁকা ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানালেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
মানিকছড়ি উপজেলায় সবচেয়ে যোগাযোগে বিছিন্ন জায়গায় গঞ্জপাড়া গ্রামটি। এ গ্রামের পাহাড়ি পাশাপাশি বাঙালির বসবাস। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তখন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি পার হতে হয়। ভারী বৃষ্টি হলে অনেক সময় শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
৩ নং যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো: জামাল উদ্দিন বলেন, সেতু না থাকায় গ্রামের লোকজন অনেক কষ্ট পাচ্ছে। বর্ষায় তীব্র বৃষ্টি সময় স্রোতের তোড়ে সাঁকোটি ভেসে যায়। আগামীতে সুষ্ঠুভাবে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতা সরকার গঠন করলে ওভার ব্রীজ নির্মান করে দেয়ার আশ্বাস দেন। গ্রামের প্রবীন থোয়াইঅংগ্য মারমা বলেন বর্ষায়তে নদীর পার হতে গিয়ে অনেক শিশু প্রান হারিয়েছে।
মারমা যুব সংঘ সদস্যরা অর্থ ও নিজেরা সেচ্ছায় শ্রম দিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মাণও গ্রামের পুরনো সামাজিক শ্মশানে জঙ্গল কাটা ও উঁচু নিচু জায়গা মাটির কেটে শ্মশান সংস্কার করার হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খোকন হাওলাদার, যোগাযোগ : আমির উদ্দিন সুপার মার্কেট (২য় তলা), নিশ্চিন্তপুর (দেওয়ান পাম্প সংলগ্ন), আশুলিয়া, ঢাকা- ১৩৪৯, বার্তা কক্ষ: ০৯৬৯৬৮২০৬৮১, ইমেইল : ajkerpratidin@gmail.com।
Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান © 2018-2024 ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।