
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় শ্রমিকদের পাওনা আদায় করে টাকা কেটে রাখলেন শ্রমিক নেতা সুলতান এমন শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জেরে আঞ্জুমান ডিজাইনার্স লিমিটেডের গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিভিন্ন ভাবে উস্কানি দিয়ে একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোঃ সুলতান মাহমুদ।
এই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরে সাংবাদিক খোকন হাওলাদারকে তিনি বলেন আমি গার্মেন্টস শ্রমিকদেরকে খেপিয়ে দিলে তোদের মত সামবাদিক কোথায় থাকবে আমি দেখে নিব। আমি তোর জন্য শ্রমিকদের নিয়ে সড়ক আটকিয়ে মানববন্ধন এর ডাক দিবো এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দিবো এবং তিনি সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হন।
বুধবার ১৩ নভেম্বর ২০২৪ সালে ঢাকার আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের পাওনা বেতনের টাকা আদায়ের পর মাথাপিছু জোরপূর্বক ১হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোঃ সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে।
এসময় নাম প্রকাশ না করা শর্তে কারখানার বেশকিছু শ্রমিক জানান, আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় অবস্থিত আঞ্জুমান ডিজাইনার্স লিঃ কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ছিলেন কয়েকশো শ্রমিক। গত ২৮শে আগস্ট বর্ধিত বেতনের দাবিতে কর্ম বিরতিতে যায় তারা। তাছাড়াও ওই পোশাক কারখানার স্টাফদের মারধর ও আটকে রাখার ঘটনাও ঘটে। এরপর গত ১৩ অক্টোবর কারখানা কর্তৃপক্ষ বিজিএমই এর বরাবর চিঠির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান উল্লেখ্য করে বলেন, ২৮শে আগস্ট থেকে ১৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কাজ না করলেও বেতনসহ নতুন সংযোজিত ১৮ দফা মেনে কারখানা চালু করতে রাজি আছেন তিনি।
কলকারখানা অধিদপ্তর এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক শনিবার ৯ নভেম্বর ২০২৪ আঞ্জুমান ডিজাইনার্স লিঃ কারখানাটি খুলে দেওয়া হয়। কথামত শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করার সময় একপ্রকার জোরপূর্বক প্রতিটি শ্রমিকের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে কেটে নিয়েছেন একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোঃ সুলতান মাহমুদ।
এই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই শ্রমিক নেতার টার্গেটে পরে আঞ্জুমান ডিজাইনার্স লিঃ নামের গার্মেন্টস কারখানাটি। তিনি কারখানায় শ্রমিকদের নিয়ে এই গার্মেন্টস কারখানার ভিতরে এই তৈরি কনের তাদের শ্রমিক ফেডারেশন। বিভিন্ন ভাবে কারখানায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পায়তারা করেন তিনি।
কিসের টাকায় চলে ফেডারেশন এমন প্রশ্নে শ্রমিকরা বলেন আমাদের মত গরীব শ্রমিকদের হকের টাকা মেরে পায়ের উপর পা তুলে চলে এই সকল শ্রমিক নেতাদের অফিস ও তাদের পরিবার। এছাড়াও অফিসের ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষের নামে মালিকের কাছে মিথ্যা বানোয়াট কথা বার্তা বলে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেস্ট করেন এই শ্রমিক নেতা সুলতান মাহমুদ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খোকন হাওলাদার, যোগাযোগ : আমির উদ্দিন সুপার মার্কেট (২য় তলা), নিশ্চিন্তপুর (দেওয়ান পাম্প সংলগ্ন), আশুলিয়া, ঢাকা- ১৩৪৯, বার্তা কক্ষ: ০৯৬৯৬৮২০৬৮১, ইমেইল : ajkerpratidin@gmail.com।
Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান © 2018-2024 ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।