
সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০ কোটি টাকা মূল্যের নির্মাণাধীন ৬ তলা ভবনের কাজ ফেলে পালিয়ে যায় ঠিকাদার। ২০২২ সালে সরাইল হাসপাতালের ৬ তলা ভবনের তিন তলা বিশিষ্ট একটি ভবন ও অন্যান্য কিছু স্থাপনা নির্মাণের বরাদ্দের অনুমোদন পান ‘অংকুর ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকে কাজ শুরু করেন তারা।
শুরু থেকেই খুবই ধীরগতিতে ঠিকাদার মাঝে মধ্যে কাজ করলেও ২০২৪ সালের ৫আগস্টের পর থেকে একেবারেই বন্ধ রয়েছে। সরাইল উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ভবনটি। তবে দীর্ঘদিন যাবত কাজ বন্ধ থাকলেও এ ব্যাপারে নেওয়া হচ্ছে না যথাযথ ব্যবস্থা।
এদিকে ছোট্ট একটি ভবনে রোগীদের স্বাচ্ছন্দ্যে শতভাগ সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসকেরা। প্রশাসনিক দুই তলা ভবনে বর্তমানে চলছে ৫০ শয্যা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল কার্যক্রম। জায়গা সঙ্কটের ফলে ফ্লোর কিংবা প্রায়ই কাঠের তৈরি বেঞ্চেই বাধ্য হয়ে দিন পার করছে নানা রোগে আক্রান্ত রোগীরা। নীচতলায় বহিঃবিভাগ ও চিকিৎসকদের চেম্বার এবং জায়গা সঙ্কটের কারণে দোতলার মাত্র তিনটি রুমে রাখা হয় নানা রোগে আক্রান্ত ও দুর্ঘটনার শিকারে ভর্তি হওয়া নারী পুরুষ ও শিশুদের। রোগীর চাপ বেড়ে গেলে পর্যাপ্ত সিট দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। যার ফলে অতি কষ্টে ফ্লোর কিংবা বেঞ্চেই থাকতে হচ্ছে রোগীদের।
এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, ভবনটি পুনঃনির্মাণের জন্য একনেকে অনুমোদন পাওয়া গেছে। হাসপাতালে বিভিন্ন শূন্য পদে চিকিৎসক পদায়নের