
আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি || শিল্পাঞ্চল সাভারে আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকের ৩ লক্ষ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে উধাও কমল বর্ষরায়র স্ত্রী সনজিতা রানীর আপন বড় বোনের মেয়ে ভাতিজী স্ববর্ণা রানী (১৫)।
গতরবিবার (২৫ মে) আশুলিয়া থানার টংগাবাড়ীর ফারুক মিয়ার বাসার ভারাটিয়া কমল বর্ষারায় ও তার স্ত্রী সনজিতা রানী প্রতিদিনের মতোই রবিবার আনুমানিক সকাল ৭টা ৩০মিনিটের সময় তার বড় বোনের মেয়ে ভাতিজী স্ববর্ণা রানীকে রেখে নেছারাল গার্মেন্টসে চাকরি করতে যান।
পরবর্তীতে দুই গার্মেন্টস দম্পতি বাসায় ফিরে দেখেন তাদের বাসার দরজা খোলা ও রুমের মালামাল এলোমেলো অবস্থায় সরীসিটিই আছে এবং ওয়ারড্রব এর ডয়ার ভাঙ্গা যার ভিতরে ছিল দুই গার্মেন্টস শ্রমিকের তিলে তিলে জমানো রক্ষিত ৩ লক্ষ টাকা যা নিয়ে পালিয়ে যান স্ত্রীর বড় বোনের মেয়ে স্ববর্ণা রানী।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কমল বর্ষরায় দেশের কন্ঠকে জানান, আমার স্ত্রীর ভাতিজী স্ববর্ণা রানী রংপুরের পীরগাছা উপজেলার শাওন মিয়ার ছেলে মোঃ মাসুদ (১৯) এর সাথে প্রেমের সম্পক ছিল এবং তার সাথে মোবাইল ফোনে কথাবার্তা বলতো। এর আগে স্ত্রীর ভাতিজীকে এই ছেলে বিরক্ত করার কারনে একটি মামলা করা হয়ে ছিলো আর এই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদেরকে হুমকি দিয়ে আসছিলো এই মাসুদ।
পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে মাসুদ ও ভাতিজী স্ববর্ণা রানীর দু জনের এই মোবাইল ফোন বন্ধ থাকার কারনে আমরা ধারণা করছি এরা বরিবার সকাল আনুমানিক ৭টা ৩০মিনিটের সময় আমি ও আমার স্ত্রী উভয়েই টংগাবাড়ীস্থ ভাড়া বাসা থেকে গার্মেন্টন্স এ ডিউটিতে চলে যাওয়ার পর সকাল আনুমানিক ১০টার মধ্যেবর্তী যে কোন সময় মাসুদ ও স্ববর্ণা রানীর সহায়তায় আমাদের বাসা থেকে ওয়াড্রপের তালা ভেঙ্গে নগদ ৩ লক্ষ টাকা সহ ১৮ হাজার টাকা দামের ১টি মেবাইল সেট নিয়ে যায় যার মূল্য ৩ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে গেছে।
তাদেরকে বিভিন্ন যায়গায় খোঁজা খুঁজি করে না পেয়ে আমার নিকট আত্মীয়-স্বজনদের সাথে আলাপ আলোচনা করে আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খোকন হাওলাদার, যোগাযোগ : আমির উদ্দিন সুপার মার্কেট (২য় তলা), নিশ্চিন্তপুর (দেওয়ান পাম্প সংলগ্ন), আশুলিয়া, ঢাকা- ১৩৪৯, বার্তা কক্ষ: ০৯৬৯৬৮২০৬৮১, ইমেইল : ajkerpratidin@gmail.com।
Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান © 2018-2024 ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।