
আশুলিয়া (ঢাকা) : সাভারের আশুলিয়ায় নতুন ইপিজেডের সামনের পাশে ফুটপাতসংলগ্ন ওভারব্রিজের নামার রাস্তা আটকে হোটেল পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে সুজন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু চলাচলের পথ বন্ধ করেই নয়, ফুটপাতের পাশে একাধিক হোটেল বসিয়ে সেগুলো থেকে মাসিক ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রতিটি হোটেল থেকে মাসে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওভারব্রিজ দিয়ে চলাচলকারী পোশাকশ্রমিক ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ফুটপাতের যে পথটি ব্যবহৃত হয়, সেখানে হোটেল বসানোর কারণে চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতায়াতকারী শ্রমিক ও পথচারীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এলাকাটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শ্রমিককে এই পথ ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু ফুটপাতের পাশে দোকান ও হোটেল বসিয়ে চলাচলের জায়গা সংকুচিত করা হলে পথচারীদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যস্ত সড়কে চলাচলের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
অন্যদিকে, ফুটপাতের পাশে একাধিক হোটেল বসিয়ে সেগুলো থেকে মাসিক ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠলেও এসব স্থাপনার অনুমোদন রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সরকারি বা জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্ধারিত জায়গা ব্যবহার করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, ফুটপাত ও ওভারব্রিজের প্রবেশ-নির্গমন পথের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে পথটি উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে সুজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি শিকার করেন হোটেল টি তার। কিন্তু সরকারি কোনো অনুমোদন আছে কিনা এমন প্রশ্নে কোনো সৎ উত্তর দিতে পারেননি সুজন
এখন প্রশ্ন—শ্রমিকদের চলাচলের পথ আটকে হোটেল বসানো এবং সেখান থেকে মাসিক ভাড়া আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেবে?
সম্পাদক ও প্রকাশক : খোকন হাওলাদার, যোগাযোগ : আমির উদ্দিন সুপার মার্কেট (২য় তলা), নিশ্চিন্তপুর (দেওয়ান পাম্প সংলগ্ন), আশুলিয়া, ঢাকা- ১৩৪৯, বার্তা কক্ষ: ০৯৬৯৬৮২০৬৮১, ইমেইল : ajkerpratidin@gmail.com।
Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান © 2018-2024 ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।