বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, ভিডিও ধারণ করে চাপ সৃষ্টি এবং কথোপকথন রেকর্ড করে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একটি কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
টাকা দাবি ও পরবর্তী সময়ে অঙ্ক বাড়ানোর অভিযোগ
অভিযোগকারীর বর্ণনা অনুযায়ী, এক ব্যক্তিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে ভিডিও ধারণ করা হয়। এরপর ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করে প্রথমে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরও ১ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু নির্ধারিত অর্থ দিতে না পারায় পাশে থাকা এক বন্ধু পরবর্তী সময়ে টাকা পরিশোধের দায়িত্ব নেন বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি সাংবাদিককে জানানোর পর কথিত দাবির পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। এ সময় সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথন রেকর্ড করে তাঁকেও ব্ল্যাকমেইল বা হয়রানির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।
তবে অর্থ দাবির প্রকৃত পরিমাণ, টাকা লেনদেনের তথ্য, ভিডিও ধারণের পরিস্থিতি এবং কথোপকথন রেকর্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রমাণ পরীক্ষা না করে অভিযোগগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
সাংবাদিককে লক্ষ্য করে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ
অভিযোগকারীর দাবি, ঘটনাটি সাংবাদিককে জানানোর পর তাঁকেও কথোপকথনের রেকর্ড ব্যবহার করে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হয়। যদি প্রমাণিত হয় যে কাউকে ভয় দেখানো, মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া কিংবা ব্যক্তিগত কথোপকথন ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা হয়েছে, তাহলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের দাবি রাখে।
তদন্ত ও নিরপেক্ষ যাচাইয়ের দাবি
এ ঘটনায় প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত, কারও কাছে ইয়াবা পাওয়া গিয়েছিল কি না, ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে, অর্থ লেনদেনের কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না এবং সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথন রেকর্ডের উদ্দেশ্য কী ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে বের করা জরুরি।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া, মূল ভিডিও ও কল রেকর্ডের সত্যতা যাচাই, অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পরীক্ষা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের শিকার ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
অনুসন্ধান করে মূল হোতা নেতৃত্বকারীর ছবি এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদনে আসছে তখন অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সহ প্রশাসনের বক্তব্য প্রদান করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খোকন হাওলাদার, যোগাযোগ : আমির উদ্দিন সুপার মার্কেট (২য় তলা), নিশ্চিন্তপুর (দেওয়ান পাম্প সংলগ্ন), আশুলিয়া, ঢাকা- ১৩৪৯, বার্তা কক্ষ: ০৯৬৯৬৮২০৬৮১, ইমেইল : ajkerpratidin@gmail.com।
Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান © 2018-2024 ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।