1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ আ.লীগের ৫ নেতা বিএনপিতে যোগদান কয়রা লোকলয়ে ১০ ফুট লম্বা অজগর সাপ উদ্ধার সুন্দরবনে অবমুক্ত ফুলবাড়ীতে বিজিবি‘র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ধামরাইয়ে নওগাঁও মানবিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া, বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আশুলিয়ায় বসতবাড়িতে আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আজ থেকে সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা চাতরী চৌমুহনীতে ফুটপাত দখলে মারাত্মক জনদুর্ভোগ কয়রায় সুধীজনদের সাথে খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের মতবিনিময় কালিয়াকৈরে মাদরাসার ছাদ থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু

শীতের তীব্রতা ভোগান্তিতে নিম্নআয়ের মানুষ

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

শেখ মো. ইব্রাহীম, সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে সরাইলের জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কুয়াশায় হাড় কাঁপানো শীত আর হিম বাতাসে জবুথুবু অবস্থা এই অঞ্চলে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে দিনমুজুর ও খেঁটে খাওয়া মানুষের। প্রচন্ড শীতে বেড়েছে লেপ-কম্বল ও গরম কাপড়ের চাহিদা। অবস্থা সম্পন্ন মানুষরা নতুন কাপড় কিনলেও নিম্ন মধ্যবিত্ত ও ছিন্নমূল মানুষের ভরসা পুরনো গরম কাপড়।

সরেজমিনে সরাইল বড় বড় শপিং মল, নামি-দামি শো-রুম থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান, ভ্যানসহ সবখানেই নানা শ্রেণির ক্রেতাদের শীতের কাপড় কেনার লক্ষণীয় ভিড় দেখা যায়। তবে, নতুন কাপড়ের দাম বেশি হওয়াতে নিম্ন-মধ্যবিত্ত, ছিন্নমূলের মানুষের বেশিরভাগ পুরনো ও তুলনামূলক একটু কম দামি কাপড়ের দোকানের দিকে বেশি ঝুঁকছে। অনেকেই ভ্যানে ভালো কাপড় খোঁজার চেষ্টা করছেন, শরীরের সঙ্গে মানানসই হলেই নিয়ে নিচ্ছেন।

দোকানগুলোতে বেশি বিক্রি হচ্ছে শিশু ও বয়স্কদের শীতের পোশাক। এছাড়াও মাথার টুপি, হাত মোঁজা, পায়ের মোঁজা, পায়জামা, মাফলার, সোয়েটার, ফুলহাতা গেঞ্জির চাহিদাও বেড়েছে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার পাশে অস্থায়ী পুরনো কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় লেগেই থাকছে। কম দামে ভালো মানের গরম কাপড় কেনার চাহিদা এখানে। এছাড়াও ভ্যানে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, এবারে শীত আগে থেকে প্রভাব ফেলায় আগের বছর থেকে এবারের চাহিদা বেশি। আশা করছেন শীতের প্রকোপ থাকায় মাঘের শেষ পর্যন্ত বিক্রি চলবে গরম কাপড়ের। কাপড়ের মান ভেদে দামের তারতম্য রয়েছে। পায়ের উলের মোঁজা ৪০-৭০ টাকা, চামড়ার (রেক্সিন বা এ জাতীয়) মোঁজা ৯০-১৭০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। হাত মোঁজা ৫০-১২০ টাকা, পায়জামা ১০০-৩০০ টাকা, মাথার টুঁপি ৫০-১৫০ টাকা, মাফলার ১০০-২৫০টাকা, ফুলহাতা গেঞ্জি ১০০-১৫০ টাকা, সোয়েটার ১০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে কম্বলের আশায় দিন কাটাচ্ছেন। তবে বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে এখনো কম্বল সরবরাহ করা হয়নি। বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মাধ্যমে প্রকৃত শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হবে বলে কালীকচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ছায়েদ হোসেন জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD