1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মির্জা ফখরুল গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দের জোয়ার-শহরজুড়ে মিষ্টি বিতরণের হিড়িক আনোয়ারায় ব্যতিক্রমী আয়োজনে মধ্যে দিয়ে শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বরণ নাগেশ্বরীতে হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক মামলার আসামি আলতাফ হোসেন গ্রেফতার হোমনায় প্রবাসীর স্ত্রী সন্তানসহ তিন জনকে গলাকেটে হত্যা মুন্সীগঞ্জে শর্টগান, গুলিসহ আটক-১ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন বরিশাল -১ জহির উদ্দিন স্বপন তিন যুগ পর পূরণ হলো স্বপ্ন: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হলেন জহির উদ্দিন স্বপন রাণীশংকৈলে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, চিরকুট ঘিরে রহস্য আনোয়ারায় রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বুলবুল-এর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ পাখি শিকার করায় নাগেশ্বরীতে যুবকের এক বছরের কারাদন্ড

টাঙ্গাইলের মধুপুর জাতীয় উদ্যানে বিরল প্রজাতির রক্ত চন্দন গাছের সন্ধান

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনে মিলেছে বিরল ও মূল্যবান রক্ত চন্দন গাছ। ধীর গতিতে বেড়ে ওঠা রক্ত চন্দন গাছ আন্তর্জাতিক ভাবে ” লাল সোনা ” নামে পরিচিত। মধুপুর দোখলা জাতীয় উদ্যানের বাংলোর সামনে রক্ত চন্দন গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন মধুপুর গড় এলাকার লাল মাটি ও শুষ্ক পরিবেশরক্ত চন্দন গাছের জন্য উপযোগী। ধীরগতিতে বেড়ে ওঠা রক্ত চন্দন গাছটি মধুপুরের বনভূমিতে নতুন সম্ভাবনা।

মধুপুর দোখলা জাতীয় উদ্যানে কর্মরত স্হানীয় বাসিন্দা উজ্জ্বল চিচাম জানান, আমরা স্হানীয়রা অনেকে আগেই জেনেছি এটি রক্ত চন্দন গাছ। মূল্যবান গাছটির ক্ষতি হতে পারে ভেবে কারো কাছে প্রকাশ করিনি। কিন্ত সম্প্রতি রক্ত চন্দন গাছের কথা প্রচারিত হওয়ায় দূর – দূরান্ত থেকে মানুষ গাছটি দেখতে আসেন।

রক্ত চন্দন কাঠ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা পার্বনে রক্ত চন্দনের গুঁড়া তিলক ব্যবহার করা হয়। মন্দিরে দেবমূর্তি সাজাতে চন্দনের ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্টানে শুভ ও পবিত্র হিসাবে গন্য করা হয়। এ ছাড়াও আয়ুর্বেদ ওষুধ, সুগন্ধি দ্রব্য, কাঠের গুঁড়া ও নির্যাস ঔষধ, প্রসাধনী, ধর্মীয় আচার, বাদ্যযন্ত্র তৈরি, মূল্যবান আসবাব পএ, হস্তশিল্প যুগ যুগ ধরে ধনী মানুষ ব্যবহার করে আসছে।

উদ্ভিদবিদদের মতে, রক্ত চন্দন ( বৈজ্ঞানিক নাম Pterocarpus santalinus) মূলত রক্ত চন্দন গাঢ লাল রঙের কাঠের জন্য পরিচিত। রক্তচন্দন কাঠের চাহিদা বিশ্ববাজারে ব্যাপক রয়েছে। রক্ত চন্দন গাছ একটি বিরল, মূল্যবান ও ব্যবহার যোগ্য বৃক্ষ হিসেবে পরিচিত । রক্ত চন্দন ভারতের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় জন্মালেও ,বাংলাদেশে এই গাছের উপস্থিতি অত্যান্ত বিরল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্ত চন্দন গাছ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় ও পরিপক্ব হতে দীর্ঘ সময় লাগে। একটি রক্ত চন্দন গাছ পরিপক্ক হতে ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত সময় লাগে ।

মধুপুর দোখলা জাতীয় উদ্যানের গেটম্যান বোলাল হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরেই রক্তচন্দন গাছটিকে এ অবস্হায় দেখে আসছি। স্হায়ীরা অনেকেই জানতেন না এটি রক্ত চন্দন গাছ। সম্প্রতি রক্ত চন্দন গাছের কথা প্রকাশ পাবার পর থেকে দূর দুরান্ত থেকে অনেক মানুষ গাছটি দেখতে আসেন। রক্ত চন্দন গাছে খোঁচা দিলে গাছ থেকে লাল রস বের হয়। বর্তমানে গাছটি সংরক্ষণের উদ্যেগ গ্রহন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে এখনো রক্ত চন্দন গাছের বানিজ্যিক চাষ অনুমোদিত নয়। বাংলাদেশে রক্ত চন্দন গাছ রোপণ, সংরক্ষন, সঠিক ব্যবস্হাপনায় এই মূল্যবান গাছ ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত মান বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে।

পরিবেশবিদরা মনে করেন, রক্ত চন্দন শুধু অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময়। পরিকল্পিত বনায়নের মাধ্যমে রক্ত চন্দন গাছ ভবিষ্যতে দেশের বন সম্পদে নতুন মাএা যোগ করতে পারে। রক্ত চন্দন গাছ বাংলাদেশের মাটিতে সঠিক যত্ন, গবেষণা ও সচেতনতার মাধ্যমে দেশের বনভূমিতে একদিন রত্ন হয়ে দাঁড়াবে।

বাংলাদেশে রক্ত চন্দন গাছকে কেন্দ্র করে কোনো আলাদা নীতিমালা, নিরাপত্তা, জরুরি সংরক্ষন পরিকল্পনা চোখে পড়ে না। মধুপুরে রক্ত চন্দন গাছ একদিকে যেমন জীববৈচিএ্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বনসম্পদে যুক্ত হতে পারে এক নতুন সম্ভাবনা।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD