
অভাবের সংসারে যেখানে নিজেদের চলাই দায় সেখানে টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে সেই টাকা দিয়ে ডুবন্ত নৌকার প্রযুক্তি আবিষ্কার করে তাকালেন রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী।
তার দাবি চলন্ত অবস্থায় কোন জাহাজে পানি প্রবেশ করলেও ওয়াটার পাম্প এবং এয়ার বেলুন এর সমন্বয়ে তৈরি তারে প্রযুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানি অপসারণ করতে বিস্ময়কর আবিষ্কার করেছেন। জুলহাস ইসলাম তার শিক্ষকদের দাবি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে জুলহাসের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি হাজার হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারবে তার উদ্ভাবিত এই প্রযুক্তিটি নাম দিয়েছেন জহুর সামাদ বাংলা যার অর্থ দাঁড়ায় রুক্ষ দীর্ঘ এক বছরের গবেষণা ৬ বার ব্যর্থ হয়ে সব ধরনের সফলতা পেয়েছেন ক্ষুদে শিক্ষার্থী।
এ ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন নৌযানের যদি স্বল্প পরিমাণ পানি ওঠে তবে সেই পানিতে উঠতে উঠতে নিচের অংশটি থাকি সেখানে পানি জমে মূলত জানতে চাই আমার এই উদ্ভাবনের দুটি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে একটি হলেও ওয়াটার পাম্প এবং অপরটি হল এয়ার সিস্টেম কার্য পদ্ধতি বর্ণনা করে তিনি আরো বলেন এটি কিভাবে ব্যবহার করা যায় একটি হলো মানব নিয়ন্ত্রিত এবং অপরটি সেন্সর বা অর্থনৈতিক পদ্ধতি আমি আপাতত মানব নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র কে বানিয়েছে যখন একই নৌকার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এক্সট্রা পাবজি চালু করা মাত্র নৌযানে প্রবেশ করে পানি নিষ্কাশিত হবে সেইসাথে এয়ার ফেলুন টি চালু করে দিলে নিচ থেকে একটি বল তৈরি হবে ফলে লঞ্চটি ভেসে থাকবে আগে দেখা যেত ১ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে নৌযানগুলো ডুবে যেত কিন্তু এখন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে নৌযানটি দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকবে ফলে উদ্ধার কর্মীরা সেখানে পৌঁছে যাত্রীদেরকে রক্ষা করতে বেশি সময় পাবেন এবং যাত্রীদের প্রাণ রক্ষা পাবে উপযুক্ত সহযোগিতা পেলে বেশি দিন এই প্রযুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব বলে জানান জুলহাস।
এ ব্যাপারে তাঁর ভাষ্য আমি যদি উপযুক্ত সাপোর্ট পাই তবে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে এটিকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবো ২ তলা লঞ্চ এর সবচেয়ে নিম্নমানের প্রযুক্তিটির দাঁড় করাতে ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা মাঝারি মানের ক্ষেত্রে ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ্য টাকা আর সবচেয়ে ভালো মানের প্রযুক্তি দাঁড় করাতে ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে প্রযুক্তিটির বাস্তবায়নে এবং তার স্বপ্নকে সফল করতে সরকারি সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তার কলেজের শিক্ষকরা।
এ ব্যাপারে একজন শিক্ষক বলেন দুর্যোগপূর্ণ পরিবেশে যাতে কারো প্রাণনাশ না ঘটে সেজন্য এখানে সব রকম সার্পোট দেবার সুযোগ আছে আমরা যদি তাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে পারি তাহলে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ভাবে এটি অবদান রাখতে পারবে আরেক শিক্ষক বলেন বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে লঞ্চের যাতায়াত করে এবং প্রতিনিয়ত বিপদের সম্মুখীন হয় সেই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যদি এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হয় তবে দেশবাসী উপকৃত হবে এই উদ্ভাবন থেকে সফল করতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া অত্যন্ত জরুরী তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াতে এসব প্রকল্প সহায়ক হবে বলে মনে করেন।
জুলহাসের কলেজের অধ্যক্ষ আমাদের নদীমাতৃক বাংলাদেশ ঝড়-বৃষ্টি ছাড়ো অসংখ্য সময়ের জাহাজডুবি এবং লঞ্চ ডুবি এবং অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি কপি আমার ধারণা সরকারি কিংবা বেসরকারি অনুষ্ঠানে এসে প্রযুক্তির যুগে যুগে বাস্তবায়নের পথে নিয়ে যায় তবে একদিকে যেমন দেশের মানুষ উপকৃত হবেন অনেকগুলো মানুষের প্রাণ বাঁচবে অন্যদিকে যারা আগামী দিনে ভবিষ্যতে তাদের যে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতা তা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে উদ্ভাবনী থেকে বাস্তবে রূপ দিতে তাই তিনি পৃষ্ঠপোষকতার পাবার জন্য সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
https://youtu.be/UNaHJUsANiU
সম্পাদক ও প্রকাশক : খোকন হাওলাদার, যোগাযোগ : আমির উদ্দিন সুপার মার্কেট (২য় তলা), নিশ্চিন্তপুর (দেওয়ান পাম্প সংলগ্ন), আশুলিয়া, ঢাকা- ১৩৪৯, বার্তা কক্ষ: ০৯৬৯৬৮২০৬৮১, ইমেইল : ajkerpratidin@gmail.com।
Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান © 2018-2024 ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।