
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার তিতাসে ইট লুট করে পাচারকালে ট্রাকসহ আটক হয়ে জনতার রোষানলে পড়েছেন উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের ৬ ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম।
রবিবার সকাল ১০টায় ভিটিকান্দি ইউনিয়নের জগতপুরস্থ ন্যাশনাল ইটভাটার ইট একটি ডিস্ট্রিকট্রাকে ভর্তি করে পাচারকালে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের আসমানিয়া বাজারে আটক করে স্থানীয় লোকজন।ট্রাক আটকের খবর শুনে একটি ভুয়া রিসিট নিয়ে ন্যাশনাল ইটভাটা থেকে ক্রয় করেছেন বলে দাবি করলে সাইফুল মেম্বারকে হেনস্তা করে বাজারের একটি চাল দোকানে আটকে রাখেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এছাড়া নানা কৌশলে উপজেলা বিভিন্ন রাস্তায় পাচারকালে জব্দ করা হয় ৫/৬ টি ইট বোঝাই হাইড্রলিক ট্রাক্টর।এচক্রটি এভাবেই গত ১০দিন যাবৎ প্রায় ১কোটি ১০ লক্ষাধিক টাকার ইট লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানান এলাকাবাসী।
ইটভাটার একাংশের মালিক জামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ব্রিকফিল্ডটি চালুকালে পার্টনার আবুল হোসেন মোল্লার সাথে আমি ও নজরুল ইসলাম পার্টনারে আছি।ওই ইটভাটায় চার কোটি টাকার ইট আছে আমাদের হিসাব অনুযায়ে।কিন্তু গত ৫ আগস্ট আ.লীগ সরকার পতনের পর আবুল হোসেন মোল্লা পালিয়ে গেলে ইটভাটা পার্টনারদের মধ্যে শুরু হয় পাওনা টাকার নিয়ে নানা দেন দরবার।
শুরুতে আমি ২০ লাখ টাকা দিয়ে পার্টনার হয়েছি। যার লভ্যাংশসহ আমি এখনো পাওনা রয়েছি ৭৫ লাখ টাকা।কিন্তু টাকার হিসাব নিকাশ শেষ না হতেই গত ১০ দিন যাবৎ স্থানীয় ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা শামসুল হক মোল্লা বহিরাগত লোকজন নিয়ে এসে ইট গুলো লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা বলেছিলাম অন্যান্য পার্টনারদের সঙ্গে কথা বলে তারপর তারপর ইট বেচাকেনা হবে। কিন্তু তারা কথা না মেনে আজকেও সাইফুল মেম্বার ও তার লোকজন এসে ট্রাকে করে ইটগুলো পাচারকালে জনতার হতে ধরা পড়ল। কিন্তু অন্য পার্টনারদের হিসাব নিকাশ না করেই আড়ালে বসে থাকা এক অসাধু চক্রের ইশারায় দশদিন যাবৎদিনরাত ইটভাটা থেকে গাড়ির গাড়ি ইট লুট করে নিয়ে যাচ্ছে সাইফুল মেম্বার ও শামসুল হক মোল্লা গ্রুপ।সেই চিন্তায় পার্টনার নজরুল ইসলামসহ অন্য আরেক পার্টনারের অবস্থা আশংকা জনক বলে জানান বিক্ষুদ্ধ জনতা। পার্টনারদের পাওনা টাকা আদায় করে দিতেই লুট করা ইটের গাড়ি যেখানে পাচ্ছেন সেখানেই আটকে দিচ্ছেন বিক্ষুদ্ধ জনতা।
এবিষয়ে সাইফুল ইসলাম মেম্বার বলেন,আমি শামসুল হক মোল্লার কাছ থেকে ইট ক্রয় করে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছিলাম।পথিমধ্যে এ এলাকার লোকজন ইটভর্তি ট্রাক আটকে দিয়েছে। কিন্তু কেন তা জানিন।তিতাস থানা অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশীদ বলেন, আমি ঘটনাস্থলে প্রতিদিন পুলিশ পাঠাচ্ছি। কিন্তু চলে আসার পর তারা পুনরায় সে কজটি করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : খোকন হাওলাদার, যোগাযোগ : আমির উদ্দিন সুপার মার্কেট (২য় তলা), নিশ্চিন্তপুর (দেওয়ান পাম্প সংলগ্ন), আশুলিয়া, ঢাকা- ১৩৪৯, বার্তা কক্ষ: ০৯৬৯৬৮২০৬৮১, ইমেইল : ajkerpratidin@gmail.com।
Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান © 2018-2024 ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।