1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুবের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতির ঈদের শুভেচ্ছা আমান উল্লাহ আমানের পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা নেপালে খেলবেন বাংলাদেশের সানজিদা যাত্রী সংকটে গাবতলী টার্মিনাল, কাউন্টারে পরিবহন শ্রমিকদের হাঁক-ডাক ফুলবাড়ীতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে  ঈদের উপহার সমগ্রী বিতরণ ধামসোনা ইউনিয়নে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইসরাফিল ইসলাম আশুলিয়ার ভাদাইলে ময়লার ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা–ভাঙচুরের অভিযোগ হিউম্যান ফর হিউম্যানিটি ইন্টাঃ ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল গৌরনদী আমরা আপনাদের সেবক, আমাদের সঙ্গে মালিকের মতো আচরণ করবেন: তথ্যমন্ত্রী

কারিগরদের আর্তনাদ : টিকে থাকতে লড়ছে ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী গহনা শিল্পের কারিগররা

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ২৮১ বার পড়া হয়েছে

সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) : এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী ধামরাইয়ের গহনা শিল্প আজ হুমকির মুখে। বিদেশি গহনার দাপট ও স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন এখানকার কারিগরেরা। মাত্র ৩০০ টাকা মজুরিতে কাজ করে সংসার চালানো দায়। বাপ দাদার পেশা অন্য কোন কাজ না জানাতে বাধ্য হয়েই রয়েছেন এ পেশায়। অনেকেই আবার পেশা বদল করেছেন। এভাবেই কাজ এবং মজুরি নিয়ে বলছিলেন ধামরাইয়ের স্বর্ণ কারিগর বিষ্ণু মন্ডল।

তিনি বলেন আগে সাধারণ মাসেও মজুরি পেতাম প্রায় ২০ হাজার টাকা বিয়ের সিজনে কখনও কখনও দ্বিগুণ আয় হতো। এখন মাসে আয় হয় ৭-৮ হাজার টাকা। এ দিয়ে সংসার চালানো কষ্ট হয়ে পড়েছে। ধামরাই পৌর এলাকার পুরনো গলির স্বর্ণ পট্টিতে আজো শোনা যায় হাতুড়ির টুংটাং শব্দ। বহু প্রজন্ম ধরে এখানকার কারিগরেরা বানিয়ে আসছেন সোনার চেইন, বালা, কানের দুল, নথ, পায়েলসহ নানা অলংকার। কিন্ত এখন সেই ছন্দ হারিয়েছে তার জৌলুস। ছোট ছোট কারখানাগুলোতে এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে গয়না তৈরির যন্ত্রপাতি। তাপে গলছে সোনা-রূপা, ঢালা হচ্ছে ছাঁচে। ঠান্ডা হলে হাতুড়ি দিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে আকৃতি।

সূচের ধারালো প্রান্ত দিয়ে খোদাই করা হচ্ছে নিখুঁত নকশা।ব্যবসায়ী গৌতম জানান, বিয়ের মৌসুম এলে আগে দিন রাত ২৪ ঘন্টা কাজ করতো কারিগরেরা। সাধারণ মাসেও ছোট কারখানাগুলোতে কাজ হতো ১০/১৫ ভরি অলংকারের কিন্তু বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২/৩ ভরিতে। বিদেশি গয়নার চাহিদা বাড়ায় আমরা টিকে থাকতে পারছি না।ব্যবসায়ী সোহেল জানান, এক সময় সোনার গয়নার জন্য পরিচিত ধামরাইয়ের কারিগরেরা এখন তৈরি করছেন রূপা, পিতল, ও তামার গয়না। নকশা ঠিকই আছে, কিন্তু ক্রেতা নেই। বর্তমানে সোনার দাম ১.৫ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বিয়ে বা বিশেষ উপলক্ষ ছাড়া আর গয়না তৈরি করছে না। এতে করে দেশের ছোট ছোট সোনার দোকানগুলো পড়েছে বেচাকেনার সংকটে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধিও এই খাতে প্রভাব ফেলেছে। দ্রুত সহায়তা না পেলে হারিয়ে যাবে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প। প্রয়োজন রাষ্ট্র ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এটা শুধু পেশা নয় এটা বাংলাদেশের ঐতিহ্য। সরকারি-বেসরকারি সহায়তা না পেলে এই শিল্প একদিন মেশিনের দখলে চলে যাবে।

ধামরাই উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম হাসান বলেন, যদি কেউ পেশা পরিবর্তন করতে চায় তাহলে তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর লোকজনকে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার সুযোগ আছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD