
পরেশ চন্দ্র বর্মন
আমি নির্বাক নিস্তব্ধ, অবরুদ্ধ এক দীর্ঘ শ্বাস।
আমি হতভম্ব, শব্দহীন অনুভূতি।
হঠাৎ আকস্মিক আবির্ভাবের উপমা!
বুঝে উঠতে পারিনি তোমার ভূখণ্ডে
ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তোমার দুচোখ জলোচ্ছ্বাসে ভাসবে।

তোমার দীঘল কালো কেশ,
কালো মেঘে আঁধার ঘনিয়ে আসবে
এমন প্রত্যাশা আমি করিনি কখনো,
না কখনো ভেবেছি অতলে সিংহল মালয় সমুদ্রে
এতো কিছু ভেবে পথ চলতে পারি না
তাই চলার পথে কষ্ট পেতে হয় নিদারুণ,
নিষ্ঠুর নির্মমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে আমার ভূখণ্ডে।
আমি নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রই পথের বাঁকে নিঃসঙ্গতায় একাকীত্বের ভুবনে।
কেউ আসবে এ পথে কিন্তু পথের রেখা পথেই যায় ক্ষয়ে, সময় যায়, স্বপ্ন যায় বিলীন হয়ে।
অতঃপর- খোপ, রাগ,অভিমান আর কিছু নীল চিরকুটে লেখা অভিযোগ আমার উপর চাপিয়ে
তুমি হয়ে গেল মুক্তিকামী মুক্তো পাখির মতো
আর আমি থাকি নীড়ে ফেরার প্রতিক্ষায়।
সময়ের সঙ্গ আমি একা নিইনি
নির্ঘুম রাত একা জাগিনি
মন্দ কিছু ভাবেনি,বিপরীত কিছু চাইনি
সবার সাথে বন্ধুত্ব জমে না
গাছের সব ফুল দেবতার চরণ পায় না
সবাই সবার অর্থ বুঝতে পারে না
না পারার মাঝে শুধু ভুল শব্দ টা পারে।