1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মদনে বাড়ির সীমানা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ প্রতিপক্ষের পাথরের আঘাতে একজন নিহত ঈদে ভ্রমণপিপাসুদের টানে নতুন রূপে ঠাকুরগাঁওয়ের পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্রগুলো আজকের প্রতিদিনের সম্পাদক খোকন হাওলাদারের ঈদ বার্তা সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ‘প্রিয় জামালপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র ঈদ উপহার বিতরণ উত্তরায় ছিনতাইকারীর হেঁচকা টানে রাস্তায় পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা আশুলিয়ার জামগড়ায় শপিং কমপ্লেক্স পরিদর্শন, ঈদ উপহার বিতরণে এমপি সালাউদ্দিন বাবু বরিশালে ৭০ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মুন্সীগঞ্জে ঈদ উদযাপন আশুলিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে রাজশাহীর জয়, কোয়ালিফায়ারে ওয়ারিয়র্স

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

বিপিএলের রাতের ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা, আর মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটান্সের লড়াই ছিল ঠিক তেমনই। শেষ বল পর্যন্ত টানটান নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৫ রানে জয় তুলে নেয় রাজশাহী। এই জয়ের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের প্রথম দল হিসেবে কোয়ালিফায়ারে জায়গা নিশ্চিত করে তারা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হারিয়ে এলিমিনেটরে নামতে হলো সিলেট টাইটান্সকে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীর শুরুটা ছিল নড়বড়ে। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাহিবজাদা ফারহান দ্রুত ফিরে গেলে চাপ পড়ে দলের ওপর। তবে তিনে নেমে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ইনিংস সামাল দেন। পাওয়ারপ্লেতে দুই উইকেট হারালেও ৫৬ রান তুলে ভালো ভিত্তি গড়ে তোলে রাজশাহী।

শান্ত ছিলেন আগ্রাসী, মুশফিক খেলেছেন দায়িত্বশীল ভূমিকা। ২১ বলে ৩৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে শান্ত আউট হলে রাজশাহীর রানের গতি কিছুটা কমে যায়। এরপরও মুশফিক একপ্রান্ত ধরে রেখে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। ৩০ বলে ৪০ রান করে তিনি বিদায় নেওয়ার পর রাজশাহী দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারায়।

একসময় ৪ উইকেটে ১১৮ রান থাকা স্কোর মুহূর্তের মধ্যেই দাঁড়িয়ে যায় ৭ উইকেটে ১২৭।শেষদিকে আবদুল গাফফার সাকলাইনের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস রাজশাহীর জন্য বড় ভূমিকা রাখে। তার ১১ বলে ১৬ রানের ক্যামিওতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রানের সংগ্রহ পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

সিলেটের হয়ে শহিদুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সিলেট টাইটান্সও শুরুতেই ধাক্কা খায়।

তাওফিক খান ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দ্রুত ফিরে যান। পারভেজ হোসেন ইমন একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ৩০ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলে তিনি দলকে ম্যাচে রাখেন। মুমিনুল হক ধীরে খেললেও উইকেটে টিকে ছিলেন, তবে প্রয়োজনীয় রান রেট বাড়তে থাকে।

মাঝের ওভারে আফিফ হোসেন ধ্রুব ও ইথান ব্রুকস প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। চাপের মুহূর্তে মঈন আলী ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। মাত্র ১২ বলে ২৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে তিন ছক্কা ও একটি চারে ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা ফেরান তিনি। শেষ দুই ওভারে সিলেট জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।

শেষ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন ছিল সিলেটের, হাতে ছিল দুই উইকেট। তবে বিনুরা ফার্নান্দোর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত সেই সমীকরণ পূরণ করতে পারেনি তারা। নাটকীয় মুহূর্তের পর ম্যাচ শেষ হয় রাজশাহীর ৫ রানের জয়ে।

বল হাতে রাজশাহীর হয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন রিপন মণ্ডল। তিনি ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। বিনুরা ফার্নান্দো দুটি উইকেট তুলে নিয়ে শেষ ওভারে দৃঢ়তা দেখান। এছাড়া আবদুল গাফফার সাকলাইন, জিমি নিশাম ও মোহাম্মদ রুবেল একটি করে উইকেট নেন।

এই রোমাঞ্চকর জয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে কোয়ালিফায়ারে পৌঁছাল। অন্যদিকে সিলেট টাইটান্সের সামনে এখন এলিমিনেটরে টিকে থাকার কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD