
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ) সংসদীয় আসনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা ও হিসেব নিকেশ শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একটিই নাম শোনা যাচ্ছে বিলকিস ইসলাম।
স্থানীয়রা দাবী করে বলছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচী বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে বিলকিস ইসলাম মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। এলাকার নানান সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে একটি গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে তুলে ধরেছে।
আন্দোলন সংগ্রামে দীর্ঘ পথচলা
সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ জানান, নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বিলকিস ইসলামের অবদান উল্লেখযোগ্য। স্থানীয়দের দাবি, গত এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি যেভাবে নেতাকর্মীর পাশে থেকে জনসংযোগ, সামাজিক উদ্যোগ এবং দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন— তা অন্য অনেক নারী নেত্রীর তুলনায় অনেক বেশি দৃশ্যমান।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি তিনি মানুষের পাশে ছিলেন।২০০১-২০০৬ চার দলীয় জোট সরকারের আমলে তিনি সংরক্ষিত সংসদ সদস্য থাকীকালীন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন। কিশোরগঞ্জে মহিলা কলেজ ও বেগম খালেদা জিয়া স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন।ইহা ছাড়াও রাস্তা ঘাট ব্রীজ কালভার্ট সহ উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেছেন। তিনি একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসাবে এবং নারী নেতৃত্বের জন্য আমরা তাকে পূনরায় এমপি হিসেবে দেখতে চাই।”
নারী নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা নারী নেত্রীদের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি হলে তা নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিলকিস ইসলামের নাম সামনে আসা সেই প্রবণতারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন তারা।
এলাকার সচেতন মহলের মতে, যদি নারী নেতৃত্বকে সামনে রেখে উন্নয়নমূলক রাজনীতি জোরদার করা যায়, তাহলে তা সামাজিক ও রাজনৈতিক দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।