
-পরেশ চন্দ্র বর্মন

ঘুম নেই দুটি চোখে
নিরবে নিভৃতে কাঁদে আঁখি
বেদনাবিধুর কলতানে ঝরে শ্রাবণের বারি।
ভাবনার অতলে ডুবে আছি আমি
দাহ হয়ে গেছে অন্তরালে লুকিয়ে থাকা
হাজারও সুখ শান্তির অবসান
মন মরে গেছে সে কবেই
এখন আমি বেঁচে আছি মৃত্যু প্রাণ দেহ নিয়ে।
জীবনের বাঁকে বাঁকে খুঁজি ফিরি
নানা শব্দের অর্থ বেসাতি করি সুখ দুঃখ
অসহায় আর আহার নিদ্রাহীন বাজারে
জীবনের কোলাহল থেমে গেছে
বড্ড ক্লান্ত হয়ে গেছি জীবন পথে।
অস্ত রাত সূর্যের মতো
সকাল আসে না আর,
জীবনের আলো অস্তমিত সূর্যটার দিকে
তাকিয়ে দেখে নিভু নিভু নিষ্প্রাণ নীরস হাসি নিয়ে বিদায় জানিয়ে চলে যায় অচিন পুরে।
গোধূলি আয়োজন করে নিস্তব্ধ পৃথিবী
সন্ধ্যা নামে ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায় নক্ষত্র
মুছে যায় পথের রেখা পথেই।
শত সহস্র অনুভূতির মৃত্যু ঘটে এই পৃথিবীতে
ফাগুন আসে ফাগুন যায়
কুয়াশার আড়ালে স্বপ্নের করিডোরে
শুকনো পাতার মতো মর্মর ধ্বণি
জীবনের স্তব্ধতা ধীরে ধীরে মৃত্যু কে
আলিঙ্গন করে শতরূপে শতবার।
মরেও বেঁচে আছি নিস্তব্ধতা বিদীর্ণ
নির্জনতার বাঁকে নিঃসঙ্গতায় কে বাঁচে একাকীত্বের ভুবনে…….