
রাজধানীর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে, আবার কয়েকটি পণ্যের দাম কমেছে।
তবে মাছের বাজারে উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি আদা ১৩০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে একই পণ্য বিক্রি হয়েছিল ১২৫ থেকে ১৫৫ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ৫ টাকা বেড়েছে আদার দাম।
অন্যদিকে কাঁচা মরিচের বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৮০ থেকে ১৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
এ ছাড়া দেশি পেঁয়াজ ও বেগুনের দামও কিছুটা কমেছে।
বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং বেগুন ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং বেগুনের দাম ছিল ৭০ থেকে ১২০ টাকা।
তবে চাল ও সয়াবিন তেলের বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং সরু চাল ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম রয়েছে ১৮৯ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।
এদিকে নিত্যপণ্যের কয়েকটি আইটেমের দাম কমলেও মাছের বাজারে চড়া দামের চাপ কমেনি। রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২৬০ টাকা, চাষের কই ২২০ টাকা এবং পাঙাশ ২৫০ থেকে ২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া সিলভার কার্প প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা, মিরর কার্প ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং মাঝারি আকারের পাবদা মাছ ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রুই ও কাতলা মাছের দামও ক্রেতাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি রুই ও কাতলা ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের কাতলার দাম কোথাও কোথাও ৬৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।
চিংড়ির বাজারেও উচ্চমূল্য বিরাজ করছে। প্রতি কেজি চাষের চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০০ টাকায়। আর বড় আকারের গলদা চিংড়ির দাম ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।
এদিকে ইলিশের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে। বাজারে ছোট আকারের ইলিশ প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, মাঝারি আকারের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং বড় আকারের ইলিশ প্রায় ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।