
আশুলিয়া : ঢাকার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাজিল মাদরাসায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল গফুর মিয়া ও ঢাকা জেলা তাঁতীদলের সভাপতি মো: জাকির হোসেনকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার ও প্রকাশিত হয়েছে। ওই সকল সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঢাকা জেলা তাঁতীদলের সভাপতি মো: জাকির হোসেন। তিনি দারুল ইহসান ট্রাস্টের ওই মাদরাসার অ্যাসেট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১২টায় আশুলিয়ার বাইপাইল বসুন্ধরা এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জাকির হোসেন জানান, গত ৯ মার্চ আশুলিয়ার শ্রীপুরে দারুল ইহসান ট্রাস্টের মাদরাসায় হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় তাকে ও আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল গফুর মিয়াকে দায়ী করে বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে তারা কেউ জড়িত নন। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে তাদেরকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ করা হয়েছে।
তিনি জানান, দারুল ইহসান ট্রাস্টের মাদরাসায় যে হামলার সিসিটিভি ফুটেজ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, সেই ফুটেজের কোথাও তাকে কিংবা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর মিয়াকে দেখা যায়নি। অথচ দখলবাজ কুচক্রী মহল আওয়ামী ফ্যাসীবাদের সহযোগী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাইফুলের দোসর সানজীদ ও আশুলিয়া থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি ইমাম হোসেনের বড় ভাই ইমাম হাসানসহ তাদের সহযোগীরা মাদরাসার স্থাপনা অবৈধভাবে দখলে নিয়ে লুটপাট করেছে। কিন্তু ট্রাস্টের মাদরাসা ও সকল স্থাপনার প্রকৃত মালিকরা সেখানে যেতে পারছে না। কিছুদিন পর পরই সেখানে হামলা ও ভাঙচুরের নাটক সাজিয়ে গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে হয়ে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরো জানান, তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মাদরাসা ও এর আশপাশের বেশ কিছু স্থাপনা, মার্কেটসহ আর্থিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাৎ করা। তাই কিছুদিন পর পরই এ ধরনের ঘটনার সৃষ্টি করে দখলবাজরা। বিষয়গুলো নিয়ে থানা পুলিশ, র্যাব ক্যাম্প ও সেনা ক্যাম্পে একাধিক লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দখলবাজ, ভুয়া মালিকদের হাত থেকে দারুল ইহসান ট্রাস্টের মাদরাসা ও সকল সম্পত্তি উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তাঁতীদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং আশুলিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।