মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, কয়রা উপজেলার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন যাবৎ আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
কয়রার আপামর জনসাধারণের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি এই জনপদকে পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হোক। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে আমরা ইনশাআল্লাহ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কয়রাকে পৌরসভায় রূপান্তর করব।
কয়রাকে পৌরসভা করা এখন আর কেবল বিলাসিতা নয়, বরং সময়ের দাবি। একটি আধুনিক পৌরসভার মাধ্যমে আমরা উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানসম্মত স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ঘরে ঘরে সুপেয় পানি পৌঁছে দিতে চাই। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে উপকূলীয় এই জনপদকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
কয়রা সদর ইউনিয়ন আমীর জিএম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুজ্জামানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।
কয়রা উপজেলা শাখার সম্মানিত আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান। খুলনা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ , কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কয়রা উপজেলা সভাপতি মোল্লা শাহাবুদ্দীন শিহাব, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর শহিদুল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু জার আল গিফারী, কয়রা উপজেলা সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের কয়রা উপজেলা সহসভাপতি হালিমুল হক, এনসিপি খুলনা জেলা সদস্য এ্যাডভোকেট আবু বকর, কয়রা সদর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি হাফেজ জাহিদুল ইসলাম, ইন্জিনিয়ার আসিফ জামিল শাহাদ, ইয়াসিন আলী।