1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার মাহফিল কিশোর গ্যাং ‘সম্রাটসহ তিনজন আটক, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে আহত ৩ পুলিশ জাতীয় সংসদের প্রথম সারিতে আসন পেলেন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জনাব জহির উদ্দিন স্বপন অসহায় মানুষের মুখে হাসি: আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নে ৯৭৩ পরিবার পেল ভিজিএফ চাল সাভারে বাসে ভয়াবহ আগুন অস্ত্রভাণ্ডার থেকে ৬টি পারমাণবিক বোমা হারিয়ে যাওয়ায়, শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া থেকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সংসদের প্রথম অধিবেশনে থাকছেন নাফিজের লাশ বহনকারী সেই রিকশাচালক রাজৈরে সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ইফতার মহফিল অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে নিউজ সেভেন্টি ওয়ান ডট টিভির দর্শক ফোরামের ইফতার মাহফিল ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

নরসিংদী সুতার মুল্য বৃদ্ধি অনেক তাঁত ফ্যাক্টরী বন্ধ, শ্রমিকরা বেকার

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুতার মূল্যবৃদ্ধি পাবার কারনে অনেক তাঁত ফ্যাক্টরী বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে শ্রমিকরা বেকার হয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।
সুতার মুল্য বৃদ্ধির কারণে কাপড়ের জন্য বিখ্যাত নরসিংদী সদর উপজেলা ও প্রাচ্যের ম্যাচেষ্টার বলে খ্যাত মাধবদী সহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জেলার শত শত কাপড় উৎপাদনের টেক্সটাইল বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ইতিমধ্যে অনেক মিল মালিকরা ফ্যাক্টরী বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। কাপড় উৎপাদন করতে গিয়ে বিদ্যুৎ বিল, শ্রমিকদের মুজুরী আরও অন্যান্য খরচ দিয়ে লাভ থাকছে না মিল মালিকদের। লোকসান দিতে দিতে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছেন অনেক মিল মালিকরা।

কারণ জানতে চাওয়া হলে মিল মালিকরা বলেন, সুতার দাম দিনদিন বৃদ্ধি পেলেও সে তুলনায় বাড়ছে না কাপড়ের দাম। প্রতি গজে দুই থেকে তিন টাকা করে লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে উৎপাদিত কাপড়। সুতার দাম অনুযায়ী কাপড়ের দাম পাচ্ছেন না মিল মালিকগণ। নরসিংদী সদর উপজেলার সাটির পাড়া, চৌয়ালা, মাধবদী থানার নুরালাপুর, বিবিরকান্দী, শিমুলেরকান্দি, দরীকান্দি, ছোট রামচন্দ্রী, আলগী, পাইকারচর, বালুসাইর, আটপাইকা, কোতোয়ালীরচ, কাশিপুর সহ এসব এলাকার বেশির ভাগ কারাখানাই এখন বন্ধ হয়ে গেছে।

অনেক তাঁত কারখানা প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। এতে করে দিন দিন বেকার হয়ে পরছে কারখানার শতশত শ্রমিক কর্মচারী। এ বিষয় নিয়ে মাধবদী থানার ছোট রামচন্দ্রীর কাপড়ের কারখানার মালিক জামাল উদ্দীন, মজিবর সহ আরও কয়েকজন মিল মালিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, সুতার দাম দিন দিন বৃদ্ধি করা হলেও বাড়ছে না কাপড়ের দাম। প্রতি গজে দুই টাকা থেকে তিন টাকা করে লোকসানে বিক্রি করতে হচ্ছে উৎপাদিত কাপড়।

মিল মালিকরা জানান , সুতার দাম অনুযায়ী আমরা কাপড়ের দাম পাচ্ছি না। সেই জন্য কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছি। আমরা লোকসান দিয়ে আর কত চালাবো কারখানা। আমাদের পুজিই শেষ হয়ে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের আবেদন, তিনি যেন আমাদের এই ব্যবসায়ীদের দিকে একটু নজর দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাদের দিকে একটু নজর দেন তাহলে আমরা সকল ব্যবসায়ীরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবো।

নাম প্রকাশ করার শর্তে এক ব্যবসায়ী জানান, বাংলাদেশের কতিপয় অসাধু সুতা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে সুতা মজুত রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দিন দিন সুতার দাম বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। এর ফলে কাপড় উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চ মুল্যে সুতা ক্রয় করে কাপড় উৎপাদন করে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।

আফ্রিকাতে তুলার দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে বাংলাদেশের সুতা ব্যবসায়ীরা সুতার দাম বাড়িয়ে দেয়। অথচ বর্ধিত মুল্যে ক্রয়কৃত সুতা বাংলাদেশে আমদানি করে সুতা তৈরি করে বাজারজাত করতে কমপক্ষে তিনমাস সময় লাগে। এখানে আমাদের প্রস্তাবনা তাঁতশিল্প রক্ষায় সুতার মোড়কের গায়ে উৎপাদনের তারিখ ও সর্বোচ্চ খুচরা মুল্য লিখে দিতে হবে। তাহলে সিন্ডিকেট সুতা ব্যবসায়ীরা অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি করতে পারবেনা। বাজার স্থিতিশীল থাকবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি তাঁতশিল্প বেঁচে থাকবে।

এছাড়া নরসিংদী, মাধবদী ও নারায়ণগঞ্জের টান বাজারের কতিপয় অসাধু সুতা ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় বিভিন্ন স্পিনিং মিলের সুতা কিনে তাদের গোডাউনে মজুত করে, পরবর্তীতে সিন্ডিকেট করে চড়া দামে বিক্রি করে। ইতিমধ্যে নরসিংদী জেলার অনক তাঁত ফ্যাক্টরী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সুতার অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধি ও সুতার অবৈধ মজুমদারদের কারসাজির কারণে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD