
লেখনীতে -পরেশ চন্দ্র বর্মন

আমি ডুবে আছি নির্ঘুম রজনী বিষাদের অবগাহনে ধুয়ে মুছে যাওয়া এক দুঃখ বিলাস প্রভাত ফেরী বেদনা বিধুর তটিনীর কলতানে।
আমি মায়া কে ভর করে বেঁচে আছি
আমার চারপাশ তোমার অসম্ভব মায়া ছায়ার
মতো করে আমাকে আগলে রেখেছে সই।
তোমার ঐ লাল ঠোঁটে আজ কৃষ্ণ চূড়া লাল হয়েছে তার রুপ যৌবনের বারতা নিয়ে
আমি বরং মায়ায় জড়িয়ে গেছি তোমার ঐ মায়াবী দুটি আঁখি নীড়ে প্রেম যমুনার
তীরে। পারি না আজও ভুলতে তোমার ঐ মায়াবী চোখ মধুর কথাকলি, প্রেম পরশ কল্পনায় আঁকা অনুভূতির আলপনা, তুমি এক পরন্ত বিকেল সুখের উল্লাসে প্রেমময়ী কবিতা।
তুমি এক অসম্ভব মায়া আমার অনুভূতির শিহরণে বয়ে যাওয়া এক অপার প্রেমের বারতা
বৃষ্টি স্নাত কদম ফুলের গন্ধ জড়ানো সুরভি,
শরতের আকাশে সাদা মেঘ বলিকার স্বপ্ন রাশি।
তুমি আমার সোনালি রোদ্দুর হেমন্তের ডানা মেলা গাঙচিলের গন্ধ জড়ানো একটি প্রেম
তুমি আমার রজনী যাপন স্বপ্ন রঙিন ঘুড়ি।
তুমি আমার অসম্ভব ভালো লাগা এক মায়াবী চোখ, ইচ্ছে ডানা মেলা নীল আকাশের পরী।
তুমি আমার কল্পনায় আঁকা মায়াবতী রাজকন্যা
তোমাতে বিভোর থাকি একাকী আনমনা।
আমি বেঁচে আছি তোমার মায়ায় জড়িয়ে
আমি জেগে আছি ঘুম জড়ানো রাতে
তোমার অনুভূতির মায়া জালে আষ্টেপৃষ্টে।
তোমার চোখ যেন মায়ায় ভরা এক অবারিত প্রেমের আদিগন্ত নীল রঙের স্বপ্ন ছোঁয়া ভালোবাসার রঙিন নীল ঘুড়ি।