1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যু: অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আত্মস্বীকৃত অপরাধীর বিচারে বিলম্ব মানে অন্যায়ের পক্ষ নেওয়া: জামায়াত আমির গৌরনদীতে ঝড়ে, ঘরের উপর গাছ পড়ে নিহত-১ ধামরাইয়ে ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সাভারের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হাজী কফিল উদ্দিন আর নেই জঙ্গল ছলিমপুরের বাসিন্দাদের এখনই উচ্ছেদ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেইমারের ইনজুরি নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন কোচ আনচেলত্তি বগুড়ায় ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ১০ চকরিয়ায় প্রেমিক-প্রেমিকাকে পেটানোর ঘটনায় এসআই আরকান প্রত্যাহার

মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে ফিলিং স্টেশন দখল নেওয়ার অভিযোগ

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

গৌরনদী প্রতিনিধিঃ
গৌরনদীতে ব্যবসায়ী পাটনারকে অংশ না দেয়ার পায়তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে ফিলিং ষ্টেশন দখল নেয়ার অভিযোগ। ঢাকা-বরিশাল গৌরনদী উপজেলার মহাসড়কে অবস্থিত বার্থী ইউনিয়নের কটকস্থল নামক স্থানে আরিফ ফিলিং স্টেশনের অংশীদারি ব্যবসায়ী পার্টনার ও তার ছেলেকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আরিফ ফিলিং ষ্টেশন দখলে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির করছেন ঐ ফিলিং স্টেশনের অংশীদার ব্যবসায়ীদের।

সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে মো. মজিবুর রহামন মাঝি বলেন, আমি ও আমার ছেলে মানিক মাঝি আরিফ ফিলিং ষ্টেশনের অংশীদারও ব্যবসার পার্টনার ।এছাড়াও আমার আরও এক ছেলে আরিফ ফিলিং ষ্টেশনে ৪০ লাখা টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। আমি ৬২ লাখ টাকা এবং আমার ছেলে মানিক মাঝি ৮২ লাখ টাকা, বিনিয়োগ করি।

আরিফ ফিলিং ষ্টেশন গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের কটকস্থল রাস্তার উত্তর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত। ব্যবসায় গত ৫ মাস যাবত সঠিক ভাবে হিসা না দেয়ার কারনে আমার দুই ছেলে টাকার হিসাব চাইতে গেলে মিথ্যা হামলা ও চাঁদা বাজির অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগে আমার বড় ছেলে মানিক মাঝি ও সিফাত মাঝি নাতী কে গৌরনদী থানার সমনে থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেন।

আরিফ ফিলিং ষ্টেশনে’র দ্বিতীয় অংশীদারী পার্টনার সরকারি চাকুরিজীবী পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আজমল আলম সিদ্দিকী সোহাগ এর স্ত্রী পপি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের ফাঁসিয়েছে এমনই অভিযোগ করেন মো.মজিবুর রহমান মাঝি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় আরিফ ফিলিং ষ্টেশন টি ২০১৫ সালের দিকে উদ্ভোধন হয়। এসময় দুইজন পার্টনার ব্যবসা শুরু করেন। পরে আরও টাকার দরকার হলে ২০১৯ সালে তৃতীয় পক্ষ মো. ফরহাদ হোসেন মুন্সীকে অংশীদারী পার্টনার হিসেবে যুক্ত করা হয় । পরে মো. ফরহাদ হোসেন মুন্সী তার পার্টনারের অংশ মজিবুর রহামান মাঝি ও তার ছেলে মানিক মাঝির কাছে বিক্রি করেন তিনি। এখন মজিবুর রহমান মাঝি ও মানিক মাঝিকে তারা পাটনার সিফ দিতে অস্বীকৃতি জানান, আজমল আলম সিদ্দিকী সোহাগ ।

এছাড়াও হিরা মাঝির কাছ থেকে ব্যবসায়ী পার্টনারের অংশীদার দেয়ার কথা বলে স্ট্যম্প মারফত ৪০ লাখ টাকা নেন ১ম পক্ষ হারুন মাঝি ও ২য় পক্ষ আজমল আলম সিদ্দিকী সোহাগের স্ত্রী পপি। এছাড়াও ওই স্ট্যাম্পে দাতা হিসাবে দেখা যায় মো. হীরা মাঝি ও গৃহীতা হিসাবে দেখা যায় ৪জন, তারা হলেন মো. হারুন বেপারী, পপি, মানিক মাঝি ও হীরা মাঝি। এছাড়া স্বাক্ষী আছেন মো. আব্দুল গনি, মুনজিলা, সজীব মাঝি ও আরিফ ফিলিং ষ্টেশনের ২য় পক্ষ পার্টনার পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আজমল আলম সিদ্দিকী সোহাগ।

আরিফ ফিলিং ষ্টেশনের মালিকানার বিষয় দ্বিতীয় পার্টনার পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আজমল আলম সিদ্দিকী সোহাগ বলেন মো. ফরহদা হোসেন মুন্সী পাম্বের কাজের জন্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ করেন সেটা আমার জানা আছে এছড়া আজমল আলম সিদ্দিকী সোহাগ এর স্ত্রী দাবী করেন মো. ফরহাদ হোসেন মুন্সী জোড় করে মালিকানা নিয়েছেন।

এবিষয় চুক্তিাপত্রের স্বাক্ষী সাবেক বার্থী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান প্যাদা বলেন যখন চুক্তি হয় তখন আমি স্বাক্ষী ছিলাম সেদিন কাউকে জোর করে বা ভয় দেখিয়ে কোন চুক্তিনামা হয় নাই।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD