
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের ফাতেমা নগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য দিরাই উপজেলা যুবদল নেতা হাসান আহমেদ ( চাও) মিয়াকে ফাসাতে স্থানীয় এক সাংবাদিকের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও বিভিন্ন ধরনের পায়তারা ।
খোজ নিয়ে জানা যায়, সাংবাদিক আক্তার সাদিকে সাথে গ্রাম্য বিষয়ে সামন্য কথা কাটা-কাটি হলেও অই সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে ফ্লিমি স্টাইলে মিথ্যা আবুল তাবুল বকে হাসান মেম্বার সহ এই গ্রামের কয়েক জনের নাম প্রকাশ করে সে ফেইসবুকে একটি লাইভ ভিডিও করেন। লাইভ ভিডিও টি অনেকেই দেখে বুঝতে পারেন এটি একটি মিথ্যা ভিডিও। এলাকার অনেকেই জানান, হাসান মেম্বার আমাদের গ্রাম্য সালিশের একজন পঞ্চায়েত এর লোক। আক্তার সাদিকের বোন গ্রামে বিবাহ হওয়া উনার ননদ ও বৃদ্ব শাশুরির সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য ঝামেলা হয়।
ঘটানাটি নিস্বপত্তি করতে হাসান মেম্বার সহ কয়েকজন লোক সেখানে যান। আক্তার সাদিক তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেন। হাসান মেম্বার বিষয়টি মিমাংসার স্বার্থে আক্তার সাদিকের সাথে কথা বললে, সাদিক মিথ্যা একটি বানোয়াট লাইভ ভিডিও ফেইসবুকে প্রচার করে। পরে দিরাই থানা পুলিশ কে ভুল তথ্য দিয়ে সেখানে নিয়ে যায়। মুলত ঘটানাটি খতিয়ে দেখা যায় অন্যকে ফাসাতে মরিয়া উঠেছে অই সাংবাদিক,। গ্রামের একজন জানান, আমাদের আক্তার সাদিকের ব্যবসা হচ্ছে তিনি, এসব কান্ড সাজিয়ে গ্রামের সরল সহজ মানুষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেন।
এছাড়াও সাদিকের উপর অনেক আর্থিক লেনদেনের গুরুত্বর অভিযোগ আছে। দেশের সরকার পতন হতে না হতেই শুরু হয় তার মানুষের প্রতি ক্যামিনালি নির্যাতন। তার লিখনীতে অনেক সময় এলাকার সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। গত ২৪/১২/২৪ রোজ মঙ্গলবার যে ভিডিওটি লাইভ দিয়েছেন এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ভিডিও নিয়ে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার জোর বইছে। সাবেক ইউপি সদস্য হাসান আহমেদ জানান, আক্তার সাদিক বিভিন্ন সময় এলাকার মানুষের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে অর্থের লেনদেন করেন,। এরকম বিষয় নিয়ে তার বিরুদ্বে লোকজন নালিশ করেন। সমাধানের জন্য তার কাছে গেলে সে সাংবাদিকতার হুমকি দমকী দেয়।
গত দিন পারিবারিক একটা বিষয়ে তার সাথে কথা বললে পূর্ব শত্রু তার আক্রোশ লালন করে এই মিথ্যা একটি বানোয়াট ভিডিও লাইভ সম্প্রসারণ করে। আমি ও আমার রাজনীতিক অবস্থা এলাকার মানুষজন জানেন। আমি বিগত দশ বছর যাবত বিএনপিরর রাজনীতি করে আসছি। আমি ও আবুল কালাম মূটেই আওয়ামী রাজনীতি করি নি। একাধিক প্রমান আছে আক্তার সাদিক আওয়ামীলীগ সরকারের অনেক প্রভাব খাটিয়েছে। সংবাদটি আসলেই উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা বানোয়াট,। আমি এরকম সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমার সম্মান হানি করায় শীঘ্রই আমি এ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনগত আশ্রয় নিব।
এলাকার একজন যুবক বলেন, গত কিছুদিন আগে রাজানগর, হরনগর সহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ত্রিশজনের অধিক লোক আমাদের ইউপি সদস্য সাইদ আহমদ খচরুর কাছে আসেন। সাংবাদিক আক্তার সাদিক নাকি ভুমিহীন অসহায় মানুষকে ভুমি দিবেন বলে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেন। এ বিষয় নিয়ে সাইদ আহমদ খচরু ভোক্তভোগীদের সাথে নিয়ে সাদিকের কাছে গেলে তিনি বলেন খচরু মেম্বার নাকি উনাকে শারিরিক নির্যাতন করেছে, বলে হাও মাও শুরু করেন। আরো কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, এসময় নাকি উনারা মসজিদের সামনে আলোচনা করেন। এখানে হামলার করার কোন সুযোগ ও নেই। এনিয়ে দিরাই থানায় ভুক্তভোগীসহ ইউপি সদস্য সাইদ আহমদ খচরুর বিরুদ্বে বিগত দিন একটি লিখিত অভিযোগ ও দায়ের করেন সাদিক।