1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পিতার বিরুদ্ধে ৭ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ফুলবাড়ীতে রাস্তা ও ড্রেন সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ডিবি (উত্তর) এর অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৪ ধামসোনা ইউনিয়নে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি ইসরাফিল হোসেন ‎গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতি জহিরকে হত্যার হুমকি: দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ম্যাচ শুরুর আগেই টাইগার শিবিরে দুঃসংবাদ ধামরাইয়ে সীসা কারখানায় অভিযান: জরিমানা, মেশিন জব্দ, কার্যক্রম বন্ধ সরাইলে হাসপাতালের ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ: স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত ফুলবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ এস এস পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠাতার ৩৪তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

চুঙ্গাপুড়ার উৎসব মাতোয়ারা জুড়ীর প্রত্যল্ত অঞ্চল

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে
বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হলো চুঙ্গাপুড়ার বাঁশ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : চুঙ্গার ভেতরে বিরইন চাল, দুধ, চিনি, নারিকেল ও চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরী করা হতো চুঙ্গাপুড়া পিঠা। পিঠা তৈরী হয়ে গেলে মোমবাতির মতো চুঙ্গা থেকে পিঠা আলাদা হয়ে যায়।

ঢলু বাঁশের চুঙ্গা দিয়ে তৈরি এ পিঠা চুঙ্গাপুড়া পিঠা নামে বিখ্যাত। এলাকার অন্যতম ঐতিহ্য এ পিঠা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। ঢলু বাঁশ ছাড়া চুঙ্গা পিঠা তৈরী করা যায় না। ঢলু বাঁশে এক ধরনের তৈলাক্ত রাসায়নিক পদার্থ আছে, যা আগুনে বাঁশের চুঙ্গাকে না পোড়াতে সাহায্য করে। ঢলু বাঁশে অত্যাধিক রস থাকায় আগুনে পোড়ে না এটি, ভেতরের চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি পিঠা আগুনের তাপে সিদ্ধ হয়।

.চুঙ্গা পিঠা পোড়াতে খড়- নেড়া দরকার পড়ে। আগের মতো এখন আর গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে এ পিঠার দেখা মিলে না। পাহাড়ে এ বাঁশ নেই বলে বাজারে ঢলু বাঁশের দামও এখন বেশ চড়া। ব্যবসায়ীরা দূরবর্তী এলাকা থেকে এই ঢলুবাঁশ ক্রয় করে নিয়ে যান নিজ নিজ এলাকার বাজারগুলোতে বিক্রির জন্য।

প্রতিবছরের ন্যায় মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ঐতিহ্যবাহী বিরাট মাছের মেলা বসে। সেই মেলা থেকে মাছ কিনে কিংবা হাকালুকি, হাইল হাওর ও নদী থেকে বড় বড় রুই, কাতলা, চিতল, বোয়াল, পাবদা, কই, মাগুর মাছ ধরে নিয়ে এসে হালকা মসলা দিয়ে ভেজে (আঞ্চলিক ভাষায় মাছ বিরান) দিয়ে চুঙ্গাপুড়া পিঠা খাওয়া ছিল মৌলভীবাজার ও সিলেটের অন্যতম ঐতিহ্য। চুঙ্গা পিঠা তৈরীর প্রধান উপকরণ ঢলু বাঁশ ও বিরইন ধানের চাল।

এ ধান এখন আর আগের মতো চাষাবাদও হয় না। জুড়ীর লাঠিটিলা ফুলতলা, সাগরনাল ও চুঙ্গাবাড়িতে প্রচুর ঢলু বাঁশ পাওয়া যেত। তন্মধ্যে চুঙ্গাবাড়ী এক সময় প্রসিদ্ধ ছিলো ঢলু বাঁশের জন্য। বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাওয়ায় ফলে হারিয়ে গেছে ঢলু বাঁশ। ফুলতলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম সেলু জানান, আগে কম-বেশি সবার বাড়ীতে ঢলু বাঁশ ছিল। এখন সেই বাঁশ আগের মতো নেই। এ বাঁশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আগেকার যুগে ঘরে ঘরে শীত মৌসুমে সেই বাঁশ দিয়ে চুঙ্গাপুড়ার ধূম লেগেই থাকতো।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD