
জাহিদুল ইসলাম, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
খুলনার কয়রা উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা জেলা দক্ষিণের উদ্যোগে ছাত্রশিবিরের সাবেক ও বর্তমান দায়িত্বশীল ভাইদেরকে নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০১) এপ্রিল বেলা ৩ টায় কয়রা উপজেলা ছাত্রশিবিরের অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রশিবির খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু জার গিফারীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ওয়েজকুরুনীর সঞ্চালনায় ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ঈদ পুণর্মিলনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম,সাবেক জেলা সভাপতিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা দক্ষিণের সাবেক সভাপতি মাওলানা মাসুদুর রহমান, আব্দুর রহিম,, (স,ম)আব্দুল্লাহ আল মামুন,মাওলানা আমিনুল ইসলাম,হাফিজুর রহমান মন্টু,রুহুল আমিন,রুহুল কুদ্দুস,জি এম মোনায়েম বিল্লাহ,আল আমিন,ইসহাক হোসেন,সোলাইমান হোসেন,সাবেক জেলা সেক্রেটারি হারুন অর রশিদ আজম,সাবেক জেলা অফিস সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, জাহিদুল ইসলাম, কয়রা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দিদারুল ইসলাম,আহসান উল্লাহ।
বর্তমান ছাত্রশিবিরের দ্বায়িত্বশীলদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কয়রা সাথী শাখার সভাপতি সামিউল ইসলাম,ছাত্রশিবির কয়রা দক্ষিণ শাখার সভাপতি আসমাতুল্লাহসহ ওয়ার্ড পর্যায়ের বিভিন্ন স্বায়িত্বশীলবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ,খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান,খুলনা জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইসলামী কয়রা উপজেলার আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান,নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম,সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ,আমাদী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা সাজ্জাদুল ইসলাম,বাগালী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল হামিদ,কয়রা সদর ইউনিয়ন আমীর মিজানুর রহমান, দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মতিউর রহমান, বাগালী ইউনিয়ন সাবেক আমীর প্রফেসর ওলিউল্লাহ উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা সুজাউদ্দীন কয়রা উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আওসাফুর রহমানসহ অন্যান্য দ্বায়িত্বশীলবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন- ৭১ এ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও প্রকৃত স্বাধীনতা ভোগ করতে পারেনি স্বাধীন সার্বভৌম এই দেশ, তাছাড়া বিগত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদের দোষরদের আচরণের সমোলচনা করেন এবং সততা ও নৈতিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ ও ইনসাফপূর্ণ রাষ্ট্র গঠন ও একটি ইসলামী বিপ্লব ঘটানোর দৃপ্ত শপথ নিয়ে কাজ করতে ছাত্রশিবির এবং যুব সমাজকে আহবান করেন।