
মোঃ মেহেদী হাসান, বরিশাল প্রতিনিধিঃ বরিশালের গৌরনদী উপজেলাধীন খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের (৯নং ওয়ার্ডের) প্রবাসী গফুর হাওলাদারের স্ত্রী শিউলি বেগম (৪০) মোঃ সোহেল হাওলাদার,মোঃ জিবন হাওলাদার কে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে যখম করেন একই গ্রামের শাফিয়া বেগম (৬০) স্বামী- করিম খন্দকার, ছেলে মোঃ সেলিম খন্দকার (৪০)।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সেলিম গং এর সাথে বিরোধ চলে আসছিলো। উক্ত বিরোধের জের ধরে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ সহ শিউলি বেগম গংদের কে মাঝে মাঝে মারধর করে থাকে। সেলিম খন্দকার তাদের জমিতে জোর পূর্বক বাঁশ লাগিয়ে জমির দখল নিতে চায়। সেই জমির বাঁশ কারা/কাহারা উঠিয়ে ফেলেছে এর প্রতিবাদে গত ৩১ মার্চ ২০২৫ইং তারিখে সকাল ১০.৩০ মিনিটে শিউলি বেগমের ঘরের সামনে এসে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায় গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় সেলিম গং একত্রিত হয়ে ঘটনাস্থলে এসে শিউলি বেগমকে বেধরক ভাবে মারপিট করে।
এ সময় শিউলি বেগমের মাথায় মারাত্মকভাবে যখম হয়। দেবর ধলু হাওলাদারের ভাষ্যমতে মারপিটের একপর্যায়ে শিউলি বেগম মাটিতে লুটিয়ে পরে ও ধস্তাধস্তির মধ্যে শিউলি বেগমের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় শিউলি বেগমকে গুরুতর অবস্থায় গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তিনি বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আছেন।
এ বিষয়ে করিম খন্দকার বলেন আমার জমিতে বাঁশ লাগিয়েছি সেই বাঁশ উঠিয়ে ফেলেছে তা আমরা জিজ্ঞাসা করতে গেলে বাগবিতন্ডার একপর্যায় হাতাহাতিতে শিউলী বেগমের মাথা ফেঁটে যায় ও আমার ছেলের হাত কেটে যায় ও আমার স্ত্রীর মাথা কেটে যায়। তাদের এখন চিকিৎসা চলছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
এ বিষয় গৌরনদী মডেল থানায় যোগাযোগ করলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়