1. abdullahamtali@gmail.com : আব্দুল্লাহ আল নোমান : আব্দুল্লাহ আল নোমান
  2. abdussalam190191@gmail.com : মোঃ আব্দুস ছালাম : মোঃ আব্দুস ছালাম
  3. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  4. ajkerpratidin@gmail.com : খোকন হাওলাদার : খোকন হাওলাদার
  5. alaminbappy521@gmail.com : মোঃ আল-আমিন বাপ্পি : মোঃ আল-আমিন বাপ্পি
  6. ekhlasur831@gmail.com : মোঃ ইখলাছুর রহমান : মোঃ ইখলাছুর রহমান
  7. info.shabbirahammed@gmail.com : Shabbir : Shabbir
  8. jahidulislam320985@gamil.com : জাহিদুল ইসলাম : জাহিদুল ইসলাম
  9. khokon28.bd@gmail.com : খোকন হাওলাদার : খোকন হাওলাদার
  10. khonjoy618@gmail.com : আলামিন ভূঁইয়া : আলামিন ভূঁইয়া
  11. litonmh262@gmail.com : liton Mahmud : liton Mahmud
  12. m01747812260@gmail.com : মোঃ রুবেল : মোঃ রুবেল
  13. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  14. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  15. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  16. spbijoy441@gmail.com : Poresh Chandro Bormon : Poresh Chandro Bormon
  17. zeebon.office@gmail.com : Riaz Islam Jibon : Riaz Islam Jibon
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গৌরনদীতে , বড় কারবারিরা অধরা মাদক সম্রাট হিরা মাঝি ঘিরে সাম্রাজ্যের খুচরা বিক্রেতারাই বারবার গ্রেপ্তার কালকিনির ভূরকাটায় খাবারের স্বাদ আর নান্দনিক রুফটপে মন মাতাচ্ছে ‘শ্বশুরবাড়ি রেস্টুরেন্ট’ ধামরাইয়ে পৃথক অভিযানে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সরাইলে পাঁচ মাস ধরে এসিল্যান্ড পদ শূন্য, ব্যাহত ভূমিসেবা আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে জহির উদ্দিন স্বপন কবিতা ও সাহিত্য আলোকিত ও মননশীল সমাজ বিনির্মাণের অন্যতম শক্তি জহির উদ্দিন স্বপন নেপাল–বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান ঢাকায় নেপাল–বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে দলিলমূলে কেনা জমির দখল নিয়ে বিরোধ, হয়রানির অভিযোগ – আরিফ ফিলিং স্টেশন নিয়ে দ্বন্দ্ব, আদালতের রায়-আদেশ অমান্যের অভিযোগ জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কাজী শুভ দশক পর ‘কেউ বুঝলো না’ নিয়ে ফিরছেন গৌরনদীতে হয়রানিমুক্ত সরকারি সেবায় সন্তুষ্ট সেবাগ্রহীতারা ইউএনও ও এসিল্যান্ডের কার্যক্রমে প্রশংসা স্থানীয়দের

গৌরনদীতে , বড় কারবারিরা অধরা মাদক সম্রাট হিরা মাঝি ঘিরে সাম্রাজ্যের খুচরা বিক্রেতারাই বারবার গ্রেপ্তার

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

গৌরনদীতে মাদকের বিস্তার, বড় কারবারিরা অধরা

কটকস্থলে হীরা মাঝিকে ঘিরে মাদক সাম্রাজ্যের অভিযোগ, খুচরা বিক্রেতারাই বারবার গ্রেপ্তার

ইয়াবা-ফেনসিডিল-গাঁজার সহজলভ্যতায় উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা, একাধিক স্পটে প্রকাশ্যে বিক্রির অভিযোগ

পুলিশের দাবি—মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, অভিযান আরও জোরদারের নির্দেশ

রিপোর্ট : ইতালি প্রতিনিধি 

বরিশালের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত গৌরনদী উপজেলা। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক, নদীপথ ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এ উপজেলা অপরাধীদের নানা তৎপরতার আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে মাদক কারবারিদের তৎপরতায় গৌরনদীর বিভিন্ন এলাকা অনেকটা বিপর্যস্ত। ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে—এমন অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

অভিযোগের কেন্দ্রে উঠে এসেছে উপজেলার কটকস্থল গ্রামের বাসিন্দা হীরা মাঝির নাম। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি ও মাদক থেকে ফিরে আসা কয়েকজনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে হীরা মাঝিকে ঘিরে একটি বড় মাদক সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। তার অধীনে বিভিন্ন পর্যায়ের বিক্রেতা ও সাব-ডিলার কাজ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত হীরা মাঝির বক্তব্যও এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বড় কারবারিরা আড়ালে থেকে ব্যবসা পরিচালনা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে মাঝেমধ্যে আটক হচ্ছেন মূলত খুচরা বিক্রেতারা। ফলে মাদকের মূল উৎস ও সরবরাহব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‘মাদকের স্বর্গরাজ্য’ হওয়ার অভিযোগ

অনুসন্ধানে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গৌরনদী পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের একাধিক এলাকায় মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। খাঞ্জাপুর, বার্থী, চাঁদশী, মাহিলাড়া, বাটাজোর, নলচিড়া ও সরিকল ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

এছাড়া টরকী বাসস্ট্যান্ড, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড, টরকী বন্দর, গয়নাঘাটা, কসবা, কাসেমাবাদ, হরিসেনা, হাইমার্কেট, উত্তর বিজয়পুর, দক্ষিণ বিজয়পুর, টিকাসার ও দিয়াশুরসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় কখনো প্রকাশ্যে, আবার কখনো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে মাদক সরবরাহ করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে তরুণদের ব্যবহার করে মাদক পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

হীরা মাঝিকে ঘিরে বড় নেটওয়ার্কের অভিযোগ

স্থানীয় কয়েকজন এবং মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে হীরা মাঝিকে ঘিরে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হীরা মাঝির বিরুদ্ধে একাধিকবার আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কারাভোগের ঘটনাও রয়েছে। তবে এসব তথ্যের প্রত্যেকটির পৃথক সরকারি নথি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, বর্তমানে সরাসরি প্রকাশ্যে না থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে মাদক সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কেউ কেউ দাবি করেছেন, তার সঙ্গে যুক্ত সাব-ডিলারদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় মাদক পৌঁছানো হয়।

একাধিক সূত্রের দাবি, একটি বড় সরবরাহ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইয়াবা ও ফেনসিডিল বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছায়। তবে ওই নেটওয়ার্কে কতজন জড়িত এবং এর সঙ্গে হীরা মাঝির প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

দুই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাতেও সরবরাহের অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, গৌরনদী ছাড়াও বরিশালের অন্যান্য উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার কিছু এলাকায় মাদক সরবরাহের সঙ্গে হীরা মাঝির নাম আলোচিত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কথিত খুচরা বিক্রেতা প্রতিবেদককে জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রি করা হয়। তবে তারা ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

তাদের অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ীদের একটি অংশ এলাকায় অবস্থান না করেও মোবাইল ফোন ও সহযোগীদের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে। ফলে সরাসরি অভিযানে তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

‘খুচরা বিক্রেতারা ধরা পড়লেও বড় কারবারিরা অধরা’

গৌরনদীর স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুলিশ মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, গাঁজা বা অন্যান্য মাদকসহ খুচরা বিক্রেতাদের আটক করছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু মাদক সরবরাহের মূল উৎসে পৌঁছানো না গেলে এসব অভিযান দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না বলে মনে করছেন তারা।

স্থানীয়দের প্রশ্ন—যারা মাদকের বড় চালান সরবরাহ করে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান কোথায়?

তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

টরকী বন্দরের চা বিক্রেতা আবুল কালামের উদ্বেগ

টরকী বন্দরের চা বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, এলাকায় মাদক সহজলভ্য হয়ে পড়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম।

তিনি অভিযোগ করেন, মাদকের কারণে তার নিজের পরিবারের বড় ছেলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তার ভাষায়, “মাদক যদি সহজে পাওয়া যায়, তাহলে একটি পরিবার নয়—পুরো প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।”

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং মাদকাসক্ত তরুণদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানান তিনি।

থানার কাছাকাছি মাদক বিক্রির অভিযোগ

গৌরনদীর এক রিকশাচালক আব্দুল জলিল অভিযোগ করেন, গৌরনদী মডেল থানার কাছাকাছি এলাকাতেও মাদক বিক্রির তৎপরতা রয়েছে।

তার দাবি, থানার অদূরে ‘বিপ্লব’ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে হীরা মাঝির ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেও দাবি করেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অর্থ ভাগাভাগির অভিযোগ

হীরা মাঝিকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো—মাদক ব্যবসা থেকে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি সুবিধা পান।

স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেছেন, মাদক ব্যবসার অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কথিত প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের কাছে পৌঁছায়।

তবে এই অভিযোগের পক্ষে প্রতিবেদকের হাতে কোনো নির্ভরযোগ্য আর্থিক নথি বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে অবশ্য স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো পুলিশ সদস্য মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শতাধিক সাব-ডিলারের দাবিও প্রশ্নের মুখে

স্থানীয় কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, হীরা মাঝির অধীনে শতাধিক সাব-ডিলার এবং তাদের মাধ্যমে শত শত খুচরা বিক্রেতা মাদক সরবরাহ করে।

তবে এই সংখ্যার স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক সরবরাহের ধরনও বদলেছে। আগের মতো নির্দিষ্ট দোকান বা স্পটে বিক্রির পাশাপাশি ফোনে অর্ডার নিয়ে বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ ধরনের ব্যবস্থা চালু থাকলে শুধু নির্দিষ্ট স্পটে অভিযান চালিয়ে মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা।

মাদকের ছোবলে বিপথগামী তরুণ সমাজ

মাদক শুধু অপরাধ বাড়াচ্ছে না; এর সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাবও ভয়াবহ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

মাদক নিরাময় কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন বয়সী মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হচ্ছেন। তাদের মধ্যে কিশোর থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী ব্যক্তিও রয়েছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজনের স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বন্ধু-বান্ধবের মাধ্যমে অনেক তরুণ প্রথমে মাদকে জড়িয়ে পড়েন। পরে ধীরে ধীরে তারা নিয়মিত মাদকসেবীতে পরিণত হন।

স্বজনদের অভিযোগ, মাদকাসক্ত সন্তানকে চিকিৎসা করাতে অনেক পরিবারের সামর্থ্য নেই। সরকারি পর্যায়ে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

‘অভিযান শুধু খুচরা বিক্রেতার বিরুদ্ধে হলে সমস্যার সমাধান হবে না’

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে শুধু খুচরা বিক্রেতাদের আটক করলেই হবে না। মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, অর্থের লেনদেন এবং নেটওয়ার্কের মূল ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে।

একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করার অভিযোগে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের নাম উঠলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

পুলিশের বক্তব্য

এ বিষয়ে গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ছালেহ্ মোঃ আনছার উদ্দিন বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভিন্ন কারণে কোনো কোনো সময়ে অভিযান কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের কোনো সদস্যের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সামনে বড় প্রশ্ন

গৌরনদীতে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানও হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে মাদকসহ আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে। তারপরও স্থানীয়দের অভিযোগ যদি সত্য হয়, তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—মাদকের মূল সরবরাহব্যবস্থা কোথায় এবং কারা নিয়ন্ত্রণ করছে?

একই সঙ্গে হীরা মাঝিকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান নয়—মাদক ব্যবসার অর্থের উৎস শনাক্ত, বড় সরবরাহকারীদের গ্রেপ্তার, সীমান্ত ও পরিবহনপথে নজরদারি, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন—সবগুলো উদ্যোগ একসঙ্গে কার্যকর করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গৌরনদীর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং অভিযোগে যাদের নাম আসছে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে।প্রকাশের আগে গুরুত্বপূর্ণ: হীরা মাঝি, ‘বিপ্লব’, রাজনৈতিক ব্যক্তি বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে যেসব নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো প্রকাশের ক্ষেত্রে মামলা নম্বর, আদালতের নথি, গ্রেপ্তারের রেকর্ড, পুলিশ/মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বক্তব্য এবং অভিযুক্তের বক্তব্য যুক্ত করলে প্রতিবেদনটি অনেক বেশি শক্ত ও আইনগতভাবে নিরাপদ হবে। চাইলে আমি এটিকে আরও “জনকণ্ঠ/যুগান্তর/সমকাল স্টাইলের ২–৩ হাজার শব্দের অনুসন্ধানী প্রথম পাতার রিপোর্ট” হিসেবে উপশিরোনাম, তথ্যবক্স ও অনুসন্ধানের টাইমলাইনসহ সাজিয়ে দিতে পারি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD