1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

কয়রায় বাঘ বিধবাদের মুখে হাসি ফুটাতে তুলে দেওয়া হলো ঈদ সামগ্রী

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

জাহিদুল ইসলাম, কযরা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ কয়রায় বাঘের আক্রমনে নিহত হওয়া পরিবারের অবহেলিত  ‘বাঘ বিধবা’ নারীদের মুখে একটু হাসি ফুটাতেই তাদের হাতে তুল দেওয়া হলো ঈদ সামগ্রী। আর সামান্য এই সহযোগিতা হাতে পেয়েই উচ্ছ্সিত ছিল তাদের মুখমন্ডল।

কয়রা উপজেলার ১৬৫ জন বাঘ বিধবার মাঝে ঈদের সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ঈদ সামগ্রীর সহযোগিতার হাত বাড়ায় আইএফএসডি। ঐ সগঠনের উদ্যোগে প্রতি বাঘ বিধবা পরিবারকে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেল, সেমাই, চিনি, ছোলা, খেজুর সহ বিভিন্ন সামগ্রী। এটি বাস্তবায়ন করেন কয়রার আইসিডি নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আয়োজনের মুল উদ্যোক্তা ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর আমিরুল ইসলাম কাগজী।

রবিবার ( ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ) বেলা ১১ টায় কয়রার কপোতাক্ষ কলেজ চত্বরে এই ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর আমিরুল ইসলাম কাগজী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আইএফএসডির নির্বাহী পরিচালক আব্দুল্লাহ শাহরিয়ার বিজয়, কপোতাক্ষ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ওলিউল্যাহ, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, আইসিডির প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আশিকুজ্জামান আশিক, বড়বাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

ত্রান সামগ্রী গ্রহন করার সময় হালিমা খাতুন জীবন চলার অভিজ্ঞতা বিনিময়কালে বলেন, সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে চায়ের দোকান করেই ঘুরে দাড়িয়েছেন তিনি । নানা বঞ্চনার কথা জানিয়ে এ ধরনের মহতী উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  আমিরুল ইসলাম কাগজী বলেন, সুন্দরবনসংলগ্ন অঞ্চলের অনেক পরিবার বাঘের আক্রমণে প্রিয়জন হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে আমি কয়রা অঞ্চলের এই বাঘ বিধবা নারীদের নিয়ে কাজ করছি। এক সময় দেখেছি আমার বাড়ির  আশপাশের অনেক নারীর স্বামী কর্মরত অবস্থায় বাঘের আক্রমণে মৃত্যুবরণ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তাদের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা পেয়েছি।ভবিষ্যতে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্টা করব।”

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার  আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “বাঘ বিধবা নারীরা আমাদের সমাজের একটি বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী। তাদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে নানা অভিযোগ ও সমস্যার কথা আসে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করে থাকি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD