1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

আজ ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মোঃ শফিকুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

আজ উদ্বোধন হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবেন ৬৭ হাজার ৮৫৪টি পরিবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন হচ্ছে আজ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে এই কর্মসূচি চালুর অঙ্গীকার করেছিল। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রথম ধাপে চালু হচ্ছে এই উদ্যোগ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীস্থ টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের মোট ১৫টি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাই করা হলে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবারকে একটি আধুনিক স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এ কার্ডে কিউআর কোড (বারকোডের তথ্যসহ) ও এনএফসি (Near Field Communication) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এই কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী পরিবার প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী এই অর্থ তার মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি জমা হবে। তথ্য সংগ্রহের সময়ই উপকারভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

এছাড়া ভবিষ্যতে একই মূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তবে পাইলটিং পর্যায়ে কোনো পরিবারের সদস্য যদি সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কিংবা বেতন, ভাতা, অনুদান বা পেনশন গ্রহণ করেন, অথবা নারী পরিবার প্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হিসেবে কর্মরত থাকেন, তাহলে সেই পরিবারকে ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD