
সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) : ঢাকার ধামরাইয়ে সন্ধ্যা বেলা বন্ধুর সহযোগীতায় ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের অভিযোগে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

ধামরাই থানায় অভিযুক্ত ধর্ষকসহ ২জনের নাম উলেখ্য করে ১৭অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে ওই তরুণীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা করেন, (মামলানং-১৪) এর আগে গত ১৫/১০/২৪ রাতে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর মডেল টাউন সংলগ্ন নীলা বর্ষা নামক পার্কেরপাশে বাবুল মিয়ার ফাঁকা ভিটায় ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষকের নাম মোঃ আরিফ হোসেন (২৫) ফুর্ডনগর ফকিরপাড়া এলাকার মোঃ ওয়াজেদ ফকিরের ছেলে, সহযোগী বন্ধু হৃদয় হোসেন (২৩) ফোর্ডনগর ধানসিড়ি এলাকার বাচা মিয়ার ছেলে।
মামলা ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, বেশ কিছু দিন ধরে অভিযুক্ত ধর্ষক আরিফ হোসেন আমার মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করতে থাকে। পরে আমার মেয়ে বিষয়টি আমাকে জানালো সামাজিক ভাবে মান মর্যাদা ইজ্জতের ভয়ে আমি কাউকে কিছু না বলেনি, আরিফকে ভাল হওয়ার কথা বলে ছিলাম। কিন্তু আরিফ তার বন্ধুর হৃদয়কে দিয়ে গত (১৫অক্টোবর) আমার মেয়েকে পড়ার টেবিলে বসিয়ে আমি বাহিরে যায়।
এই সুযোগে হৃদয় আমার ঘরে ঢুকে কৌশলে আমার মেয়েকে ঘর থেকে বের করে কুল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর মডেল টাউন সংলগ্ন নীলা বর্ষা নামক পার্কের পাশে বাবুল মিয়ার ফাঁকা ভিটায় নিয়ে যায়।সেখানে আগে থেকেই ধর্ষণের অভিযুক্ত আরিফ হোসেন অবস্থান করে ছিল। সেখানে যাওয়ার পর আরিফ আমার মেয়েকে কু-প্রস্তাব দেয়। কিন্তু আমার মেয়ে তার প্রস্তাবে রাজি না হলে আরিফের বন্ধু হৃদয় ঔ তরুণীর হাত-পা ও মুখ চেপে ধরে এবং আরিফ সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, ৭ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী তরুণীকে ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।