1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মির্জা ফখরুল গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দের জোয়ার-শহরজুড়ে মিষ্টি বিতরণের হিড়িক আনোয়ারায় ব্যতিক্রমী আয়োজনে মধ্যে দিয়ে শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বরণ নাগেশ্বরীতে হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক মামলার আসামি আলতাফ হোসেন গ্রেফতার হোমনায় প্রবাসীর স্ত্রী সন্তানসহ তিন জনকে গলাকেটে হত্যা মুন্সীগঞ্জে শর্টগান, গুলিসহ আটক-১ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন বরিশাল -১ জহির উদ্দিন স্বপন তিন যুগ পর পূরণ হলো স্বপ্ন: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হলেন জহির উদ্দিন স্বপন রাণীশংকৈলে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, চিরকুট ঘিরে রহস্য আনোয়ারায় রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বুলবুল-এর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ পাখি শিকার করায় নাগেশ্বরীতে যুবকের এক বছরের কারাদন্ড

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

উৎপল রক্ষিত, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা সম্প্রীতির বন্ধন। শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।

প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে ৭তারিখ পর্যন্ত দিন গোলয়া গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন সারাদিন কীর্তন ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়। মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়।

ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান, এক সময় গোলয়া গ্রামের প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন। পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি। গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি।

গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী, শ্রীপুর, রঘুনাথপুর, সিকদার চালা, বেড়া চালা, শিমুলচালা, সোনাতলা, তালতলী, বাঁশতলী,গাছবাড়ী সহ আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন।

শিক্ষক বিদ্যা সাগর রায় জানান, পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।

শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান,গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে। পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে। কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট, সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।

দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক, যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD