
নেত্রকোনা প্রতিনিধি, হাবিবুর রহমান :
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ৫ম শ্রেণীর এক বাক প্রতিবন্ধী শিশু (১৩)কে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এক পরিতক্ত ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা বাদী হয়ে গত ২৪ নভেম্বর জামিল হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে আসামি করে মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন তার বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত জামিল হোসেন নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের পয়দার কোনা গ্রামের ইদ্রিস তালুকদারের ছেলে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত প্রভাবশালী জামিল হোসেন ওই ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী শিশুটির প্রতিবেশী সম্পর্কে চাচা হয়। গত ২০ নভেম্বর বাক প্রতিবন্ধী শিশুটিকে বাড়িতে রেখে অসুস্থতার কারণে পিতা-মাতা উভয়ে উপজেলায় চলে আসেন চিকিৎসা করার জন্য ।
এ সুযোগে জামিল হোসেন বাড়িতে মেয়েটিকে একা পেয়ে টাকার প্রলোভন লোভ দেখিয়ে পাশের বাড়ির কেরামত আলী মিয়ার পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়, ওইখানে নিয়া ৫ম শ্রেণীর বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটিকে ধর্ষন করে জামিল হোসেন। ধর্ষনের পর মেয়েটিকে এও বলে ভয় দেখায়, যদি কারো কাছে এ ঘটনা বলছ তো প্রাণে মেরে ফেলবে।
বাক প্রতিবন্ধী শিশুটির মা-বাবা ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে আসার পর মেয়ে মা,কে এই ঘটনাটি খুলে বলে। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে দফায় দফায় দরবার সালিশ ও হয় বিষয়টি মীমাংসার জন্য।
দরবার শালিশে মাতব্বর জামিল হোসেনকে জুতাপেটা করে এবং বাক প্রতিবন্ধী শিশুটি প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পর অন্যত্র বিবাহের খরচের দায়ভার নিতেও ইচ্ছা পোষণ করে জামিল হোসেন।
এ ঘটনায় গ্রামবাসী জানায়, শিশু ধর্ষণকারী জামিল হোসেনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মদন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাঈম মোঃ নাহিদ হাসান
প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।