
মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি : সেচ্ছাসেবী সংগঠন মারমা মৈত্রী শিক্ষা সহায়ক ফান্ড আয়োজনে ১ম বার্ষিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকালের সাড়ে ১০ টায় বিশাখা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের বার্ষিক সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চাইহ্লাপ্রু মারমা (কৃষি) সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক চিংহ্লামং মারমা।সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, মংসাইঞো মারমা প্রভাষক মানিকছড়ি মৈত্রী ডিগ্রি কলেজ, বিশেষ অতিথি ছিলেন, মানিকছড়ি রাজবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ক্যজ মারমা।
আরো আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন, মারমা উন্নয়ন সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটি সাংগঠনিক সম্পাদক আপ্রুসি মারমা, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মংশেপ্রু মারমা, মানিকছড়ি শাখা মারমা উন্নয়ন সংসদ সভাপতি নিপ্রু মারমা, গুইমারা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী মিলকি মারমা, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ মানিকছড়ি উপজেলা শাখা সভাপতি আপ্রুসি মগ, সাধারণ সম্পাদক আম্যে মগ, সাংগঠনিক সম্পাদক থোয়াইঅংগ্য মারমা, মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ সচিব উহ্লাচাই মারমা, মারমা মৈত্রী শিক্ষা সহায়ক ফান্ড প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অংগ্য মারমা, সংগঠনে সভাপতি চাইহ্লপ্রু মারমা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পালি বিভাগে শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ মারমা স্টুডেন্ট কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কমিটি দপ্তর সম্পাদক চিংমং মারমা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জুলিপ্রু মারমাসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
“দৃষ্টিভঙ্গি বদলাব, সুশিক্ষিত ও সুশীল সমাজ গড়ে তুলব” এ মূলনীতি নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা মানিকছড়িতে গত বছর ডিসেম্বর, ২০২৩ইং সালের চক্কিবিল পাড়া নিবাসী অংগ্য মারমা (মেম্বার) নেতৃত্বে মারমা সম্প্রদায়ে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মজীবি ১১ জন সদস্য নিয়ে প্রতিষ্ঠাতা হয়েছে মারমা মৈত্রী শিক্ষা সহায়ক ফান্ড নামের একটি সেচ্ছাসেবী শিক্ষা সংগঠন।
এ সংগঠন খাগড়াছড়ি জেলা মারমা সম্প্রদায়ে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাতক অধ্যয়রত মেধাবী ও গরীব শিক্ষার্থীদের মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন সংগঠনটি। সংগঠনে গঠন পর গত এপ্রিল ,২০২৪ইং সাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিষয়ক বিভাগের শিক্ষার্থী নিংহ্লাঅং মারমা এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী উসাপ্রু মারমাসহ দু’জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসের ১ হাজার টাকা করে মোট ২জনকে ২ হাজার টাকা উপবৃত্তি প্রদান করছেন সংগঠনে সদস্যরা। আগামী আরো সংগঠনে সদস্য ও অর্থ বৃদ্ধি হলে আরো শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়িয়ে উপবৃত্তি প্রদানে আশ্বাস দেন সংগঠনে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অংগ্য মারমা। সংগঠনে উদ্দেশ্য হচ্ছে মারমা জনগোষ্ঠীর মেধাবী শিক্ষার্থী’কে সুশিক্ষিত সমাজ গঠন করা।
প্রধান অতিথি বক্তব্য বলেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে খরচ কম। তারপরও মারমা জনগোষ্ঠী শিক্ষা হার পিছিয়ে আছে। একমাত্র শিক্ষার্থী অভিভাবকরা অবহেলা। বর্তমানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে জন্য ভারত, আমেরিকার ও চীন, জাপানের লেখাপড়া জন্য এস্কলাশীপ সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমাদের মারমা সমাজের মেধাবী শিক্ষার্থী ফলাফল অর্জন হয় না। আগামীতে মারমা জনগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিকাশ মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।