1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যু: অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আত্মস্বীকৃত অপরাধীর বিচারে বিলম্ব মানে অন্যায়ের পক্ষ নেওয়া: জামায়াত আমির গৌরনদীতে ঝড়ে, ঘরের উপর গাছ পড়ে নিহত-১ ধামরাইয়ে ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সাভারের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হাজী কফিল উদ্দিন আর নেই জঙ্গল ছলিমপুরের বাসিন্দাদের এখনই উচ্ছেদ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেইমারের ইনজুরি নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন কোচ আনচেলত্তি বগুড়ায় ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহত ১০ চকরিয়ায় প্রেমিক-প্রেমিকাকে পেটানোর ঘটনায় এসআই আরকান প্রত্যাহার

বাদাম বিক্রি করে জীবনের ঘানি টানছেন ৯৫ বছর বয়সী মজিদ মুন্সি

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ বয়স প্রায় ৯৫ বছর। ভারী কোনো কাজ তিনি করতে পারেন না। সেই শক্তিও নেই শরীরে। নিজ সন্তানেরা তার দেখভাল করেন না। তাই বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি না করে স্কুল,কলেজ ও হাটে বাজারে বাদাম বিক্রি করে বৃদ্ধা অসুস্থ স্ত্রীসহ দুজনের সংসারে জীবিকার ঘানি টানে যাচ্ছেন,কবলছিলাম ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পৌরশহরের মধ্য ভান্ডারা গ্রামের বাদাম বিক্রেতা পঁচানব্বই বছর বয়সী আব্দুল মজিদ মুন্সির কথা।

রোববার ২ ফেব্রুয়ারি সকালে রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজে মাঠে বাদাম বিক্রি করার সময় তার সাথে দেখা হয়। সংসার জীবনে দুই ছেলে এবং এক মেয়ে আছে তার। তবে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। এক ছেলে ভ্যান চালান, আরেক ছেলে কুলির কাজ করে। তারা দুজনেই নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত।

আপনার সন্তানেরা কি আপনার ভরণ-পোষণ কিংবা দেখাশোনা করেনা? উত্তরে তিনি বলেন, দেখলে কি আর এই বয়সে আমাকে ঘাড়ে করে বাদাম বিক্রির কাজ করতে হতো ! সন্তানরা দেখেনা তাই আমি নিজেই ভিক্ষাবৃত্তি না করে মানুষের কাছে হাত না পেতে,এই কাজ করি। কারণ ভিক্ষা করা সমাজের সবচেয়ে ঘৃণার কাজ,তাই বাদাম বিক্রির কাজ করি,এই বাদাম বিক্রির টাকা দিয়েই অতি কষ্টের মাঝেও অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে দুই জনের সংসার চালিয়ে যাচ্ছি। যত দিন বেঁচে আছি কি করবো, বয়সের ভারে আর তো কিছুই করা সম্ভব না।

আব্দুল মজিদের চোখে পুরানো ফ্রেমের পাওয়ারি চশমা, ফিনফিনে পাতলা একটা পানজাবি,একটা হালকা সুইটার,মাথায় টুপি, লুঙ্গী ও পায়ে মুজাবিহীন একজোড়া নাগড়া জুতা পায়ে মাঘের কনকনে শীত ও কুয়াশার মাঝে ঘাড়ে বাদামের ঢাকি নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন পৌর শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। গত ১০ বছর ধরে তিনি বাদাম বিক্রি করেছন। এতে প্রতিদিন তার দুই থেকে তিনশত টাকা আয়-রোজগার হয়।

এ দিয়ে স্ত্রীর ঔষধসহ কোন মতে টেনেটুনে সংসার চলে মজিদ মুন্সির। সরকারি বয়স্ক ভাতার ব্যাপারে মজিদ মুন্সি জানান, জ্বি বয়স্ক ভাতা হয়েছে, তিন মাস অন্তর অন্তর কিছু টাকা পাই, তা দিয়ে কি আর সংসার চলে রে বাবা ! জিনিষপত্রের যে দাম। বাদাম বিক্রির কাজ না করলে কি যে হতো।

নামাজের পড়েন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই পড়ি, যেখানেই ভাগ পড়ে সেখানেই পড়ে নেই। যতদিন শরীরে কুলাবে ততদিন হাড়ভাংগা পরিশ্রম করে এ ব্যবসা চালিয়ে যাবেন বলেও তিনি জানান। পৌর শহরের অনেকে বলেন এতো বয়সে মজিদ মুন্সির বাদাম বেচে জীবিকা নির্বাহ সত্যিই প্রশংসনীয় ও দৃষ্টান্ত হয়ে রবে।

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রকিবুল হাসান বলেন, সত্যিই এ বয়সে ওই বৃদ্ধার জীবিকা নির্বাহ বিরল ও প্রশংসনীয়। তার সাথে কথা বলে, কিভাবে সহযোগিতা করলে তার জন্য ভালো হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD