
নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামাজিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নেপাল–বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব ২০২৬’। দক্ষিণ এশিয়া সোশ্যাল এডুকেশন ফাউন্ডেশন ও নেপাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ড্যাফোডিল প্লাজা, সোবহানবাগ, ধানমন্ডির ৭১ মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, প্রশাসক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। প্রধান আলোচক ছিলেন নেপালের সাবেক সংস্কৃতি, পর্যটন, বিমান ও বেসামরিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনন্দ পোখারেল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেলিনা সুলতানা নিশিতা এমপি, ফেরদৌস আরা ও তাশিক আহমেদ। নেপাল থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন এটিএন বাংলার উপদেষ্টা ও সৌদা স্যাটেলাইট শিক্ষাবিদ, কাঠমান্ডু এবং ড. জয়রাম ওয়ালি, নির্বাহী পরিচালক, মিনিল্যান্ড উচ্চ বিদ্যালয়, কাঠমান্ডু।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নেপাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম ফারুক মজনু। সভাপতিত্ব করেন সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দক্ষিণ এশিয়া সোশ্যাল এডুকেশন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আর কে রিপন।
আলোচনা সভায় বক্তারা নেপাল ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও যুব উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা বলেন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নেপাল ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব। বিশেষ করে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে যৌথ উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।