1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব মোঃ ইসরাফিল হোসেন ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প কুমিল্লায় বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার ও ইফতার মাহফিল মুন্সীগঞ্জে প্রেমের টানে চীনা যুবক, মুসলিম রীতিতে বিয়ে মুন্সীগঞ্জে টেন্ডার জমা নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ ধামরাইয়ে জোরপূর্বক জমি দখলে রাখার অভিযোগ, বারংবার বিচারেও মিলছে না সমাধান বিএনপি দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে : ড. মঈন খান ধামরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৩ মুন্সীগঞ্জে ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১ আগামী দিনে কাজের মধ্য দিয়ে প্রমান করব, মেয়র মজিবুর রহমান

ঢাকা ২০ আসনে কে হবেন বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী এ নিয়ে চলছে আলোচনা

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে ৬ জন বৈধ প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী থাকলেও সামগ্রিকভাবে তৃণমূলে ভোটের রাজনীতিতে এখনো নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে না পারায় এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রার্থীরা সভা-সমাবেশ, জনসংযোগ, নিফলেট বিতরণসহ নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালান। ভোটারদের মাঝে অপক্ষাকৃত কম পরিচিতি এবং সামগ্রীকভাবে প্রচার প্রচারণায় পিছিয়ে থাকায় এনসিপির তুলনায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা ভোটের মাঠে এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন ভোটাররা। এ আসনের বিভিন্ন এলাকার ভোটাররা বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে এমন মন্তব্য করেছেন। এছাড়া তারা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোট পাওয়ার ওপরও নির্বাচনে জয় পরাজয় অনকেটাই নির্ভর করছে বলে জানান। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটভুক্ত দলগুলোর নির্বাচনী আসন সমঝোতায় এ আসনে এনসিপি ও জামায়াত উভয় দলে প্রার্থী থাকলেও শেষ পর্যন্ত কি হবে সেটি নিয়েও চলছে আলোচনা।

আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বীতার জন্য ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিলের পর যাচাই বাছাই শেষে সকলের মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মো. তমিজ উদ্দিন। তিনি ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি। এ আসনে নির্বাচণের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি মো. ইয়াছিল ফেরদৌস মুরাদ ও ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে তারা মনোনয়ন ফরম জমা দেননি। তবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের লক্ষ্যে এ আসনের বিভিন্ন এলাকায় তারা উভয়েই জোরালো প্রচার প্রচারণা চালিয়েছিলেন।এ আসনে জামায়েতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মো. আব্দুর রউফ। বিভিন্ন এলাকার ভোটাররা জানিয়েছেন, নানা কারণে রাজনীতির মাঠে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিনের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় থাকায় ভোটারদের মাঝে এখনো নিজের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে পারেননি তিনি।

এছাড়া বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অধিকাংশ ভোটও তমিজ উদ্দিনের পক্ষে যেতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। এ আসনে স্থানীয়ভাবে সক্রিয় এনসিপির কেউ প্রার্থী হতে পারেননি। এ আসনে এনসিপির মনোনিত প্রার্থী হিসেবে নাবিলা তাসনিদ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর আলোচনার আসেন। তবে মনোয়ন দাখিলের শেষ দিন স্থানীয় এনসিপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তিনি পরিচিত নন এবং জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ে সংগঠনের কোন কার্যক্রমে কোন সম্পৃক্ততা ছিলোনা অভিযোগ তুলে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে উপজেলা কমিটির সমন্বয়কারীসহ এনসিপির বেশ কিছু নেতা-কর্মী।

বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমি জড়িত। সংগ্রাম ও সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে ধামরাইয়ে দলটিকে দাঁড় করিয়েছি এবং দলের প্রতি ধামরাইবাসীর আস্থা রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এবারের নির্বাচনে ধামরাইয়ের ভোটাররা যে পরিমান ভোট ধাণের শীষে দিবেন এটা ইতিহাস হবে। ভোটারদের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলনের চেষ্টা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমার অবস্থানের কারণে ভোটারদের কাছে আমার প্রতি আস্থা রয়েছে বলে মনে করি।ঢাকা-২০ আসনে জামায়েতের প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ বলেন, এনসিপি এ আসনটি চাচ্ছেন। কোন সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে আমি আশাবাদী সেভাবেই কাজ করতেছি। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই হবে।

এনসিপির মনোনিত প্রার্থী হিসেবে নাবিলা তাসনিদ বলেন, রাজনীতিতে আমার যাত্রাটি নতুন। তবে এটি আমার জন্য একটি বড় সুযোগ। রাজনীতির বড় একটি অংশ হচ্ছে নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে লিডারশীপের জায়গায় থাকার কারণে নেতৃত্ব দেয়ার সেই যোগ্যতা রয়েছে বলে মনে করছি। নেতৃত্বের শূণ্যতা দূর করতে যোগ্যদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। সকলকে নিয়েই দেশ ও জাতীর স্বার্থে কাজ করার সুযোগ ভোটাররা ভোটের মধ্য দিয়ে দিবেন এটাই প্রত্যাশা। উপজেলা কমিটির ৫-৬ জন দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েছিল তবে পরে তারা ভুল বুঝতে পেরেছেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD