1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীনের ৪ সমঝোতা পেলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন নেইমার স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে বিদ্যুতের খুঁটিতে যুবক, পৌনে ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার আশুলিয়ার শিমুলিয়ায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ কালকিনিতে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট চীনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন, বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার আমতলীতে সাড়ে ৬ হাজার গাছের চারা ও ৩০ হাজার কেজি সার বিতরন কৃষিতে নতুন বিনিয়োগ সংস্কৃতির আলোচনায় গ্রো আপ এগ্রোটেক ‎জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায় আমজাদ দেওয়ান

সাভারে ঘন ঘন লোডশেডিং, অতিষ্ঠি জনজীবন

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি || বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ সাভার উপজেলাবাসী। আকাশে মেঘ জমলেই চলে যায় বিদ্যুৎ। যতক্ষণ মেঘ-বৃষ্টি থাকে, ততক্ষণ বিদ্যুতের দেখা মেলে না। এর বাইরেও ঘন ঘন লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে অতিষ্ঠি হয়ে পরেছে সাভার বাসী। বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন লোড শেডিংয়ের কারণে সাধারন গ্রাহক ও পোশাক কর্মীরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

পোশাক শ্রমিক সুরজিনা দেশের কন্ঠকে বলেন, কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ আসে যায়। বিদ্যুৎ না থাকলে সেদিন খাওয়া, গোসল ছাড়াই অফিসে যেতে হয়। আবার দুপুরে এসে বাসায় বিদ্যুৎ না পেলে সেই না খেয়ে ও গোসল না করে অফিসের দিকে ফিরতে হয়।

সুরজিনার মতো বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং এর কবলে পড়েছে সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের লাখ পোশাক শ্রমিকরা। খেয়ে না খেয়ে সঠিক সময়েই অফিসে উপস্থিত হতে হচ্ছে তাদের। ঘন-ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন।

গত ৪/৫দিন ধরে সাভার-আশুলিয়ার সব এলাকায় ঘন-ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। এ কারণে শ্রমিকদের সঙ্গে বিপাকে রয়েছে ছোটো কিছু পোশাক কারখানা মালিকও।

ফাহিম দেশের কন্ঠকে বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি কারেন্ট (বিদ্যুৎ) নেই। কারেন্ট না থাকলে তো আমরা অচল। পানি থাকে না, রান্না করা যায় না। অপেক্ষা করে চলে গেলাম অফিসে। আবার দুপুরে বাসায় এসেছি তাও একই অবস্থা। সারাদিন না খেয়ে গোসল না করেই অফিস করতে বাধ্য হইছি। এটা শুধু বৃহস্পতিবারের ঘটনা না গত ৪/৫ দিন থেকে এমন হচ্ছে। সকাল-দুপুর কারেন্টটুকু দিলেও তো আমরা খেয়ে অফিসে যেতে পারি ।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যত কষ্ট সব আমাদের। বেতন পাই কয় টাকা চাউলের (চাল) দামসহ সব কিছুর দাম বেশি। আমরা আরেক জেলা থেকে এখানে চাকরি করতে আসছি সব কিছু কিনে খেতে হয়, পানিও কিনে খেতে হয়। কয়েক দিন হলো বিদ্যুৎ একটু পরপর আসে যায়। রাতে গরমে ঘুমানো যায় না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং চলছে। আকাশে একটু মেঘ আর হালকা বাতাস পেলেই চলে যায় বিদ্যুৎ। দিনে অন্তত ৮/৯ বারের বেশি সময় লোডশেডিং হয়।

শিক্ষার্থী আমিনের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পড়াশোনা করতে খুব কষ্ট হয়। বার বার লোডশেডিং হওয়ার ফলে লেখাপড়াও ঠিকমতো হয় না। তাই এ সমস্যা দ্রুত সমাধানের দাবি জানান তারা।

ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (আশুলিয়া জোনাল অফিস) মোহাম্মদ সোলায়মান আহমেদ বলেন, এখন কেন লোডশেডিং হচ্ছে আমরা সবাই জানি তবুও দোষটা আসছে আমাদের ওপর। এখানে আমাদেরও করার কিছু নেই। যেমন আমার ১২২ মেগাওয়াট, লোডশেডিং হচ্ছে। আমি অর্ধেকের মতো পাচ্ছি আর অর্ধেক পাচ্ছি না।

শিল্পাঞ্চলের জন্য আলাদাভাবে বিদ্যুতের বাড়তি মেগা ওয়াট দেওয়া হয় কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের যে চাহিদা, সেই চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পেলে আর কোনা সমস্যা থাকতো না। চাহিদা মতো তো পাচ্ছি না। তবে আশা করছি খুব দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD