1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বার্থী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে শরীফ সাহাবুব হাসানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী ফেসবুকে ফেক আইডি দিয়ে সংগঠিত অপপ্রচার দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি। ‎গৌরনদীতে বোতলজাত তেল ভরতে গিয়ে বাইকে আগুন, বাইকার দগ্ধ পিতার বিরুদ্ধে ৭ মাসের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ফুলবাড়ীতে রাস্তা ও ড্রেন সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ডিবি (উত্তর) এর অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৪ ধামসোনা ইউনিয়নে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি ইসরাফিল হোসেন ‎গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতি জহিরকে হত্যার হুমকি: দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ম্যাচ শুরুর আগেই টাইগার শিবিরে দুঃসংবাদ ধামরাইয়ে সীসা কারখানায় অভিযান: জরিমানা, মেশিন জব্দ, কার্যক্রম বন্ধ

টাকা দিলেই মিলছে সরকারি জমি ব্যক্তির নামে নামজারি!

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরের ডাসারে টাকা দিলেই মিলছে সরকারি খাসজমি ব্যক্তি মালিকানায় মিউটেশন। নামজারি ও খাজনার দাখিলায়ও অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো. গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার(১ আগস্ট) সরেজমিনে ডাসার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে জানাগেছে, ডাসার উপজেলার আইসার মৌজায় সরকারি “ক” তফসিলের ৭৮৮ নং দাগে তিনটি খতিয়ানের মধ্যে সরকারি ১/১ “ক” তফসিলের জমির মধ্যে ৯ শতাংশ জমি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিপুল সরকারের নামে মিউটেশন করে দেন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. গোলাম মাওলা। এতে করে সরকারি খাস জমি হয়ে যায় ব্যক্তির। এসব অপকর্ম করছেন তিনি ২০১৮ সালে ডাসার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে থাকাকালীন সময়ে। বর্তমানে ওই ভূমি কর্মকর্তার কর্মস্থল গোপালপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস। সেখানে গিয়েও নামজারি সহ খাজনার দাখিলা কেটেও নিচ্ছেন অতিরিক্ত টাকা। এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিবেদককে বিভিন্ন প্রকার হুমকি সহ করেন খারাব আচারণ।

বিপুল সরকার জানান,তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমির খাজনা দিতে আসলে, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা গোলাম মাওলা বলেন, একটা জমি আছে আমি এই জমি মিউটেশন করে দিতে পারি চল্লিশ হাজার টাকা দিতে হবে। স্যারের কথামত চল্লিশ হাজার টাকা দিলে তিনি আমার নামে মিউটেশন করে দেন। মাত্র এক হাজার টাকা বাকি ছিল, তাও কাজীবাকাই ইউনিয়নে গিয়ে দিয়ে আসছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো.গোলাম মাওলা বলেন,খাস জমি মিউটেশন হয় না। ভুল হলে দেখবো। আমি কারও কাছ থেকে টাকা নিয়ে মিউটেশন করি নাই। খ তফসিলের জমি মিউটেশন করে দেওয়া হয়েছে। আর এতোকিছু জবাব আপনাদের দিব কেন, যা পারেন করেন। আমিও আপনাদের দেখে নিব।

স্থানীয়রা জানান, গোলাম মাওলা যে খানে যায়,সেখানে টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো. গোলাম মাওলাকে দিয়ে জমির খাজনা খারিজ,পর্চা,মিউটেশন করাতে বাড়তি টাকা পরিশোধ করতে হয়।বাড়তি টাকা দিতে ব্যর্থ হলে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়।তার আচার ব্যবহারও ভালো না।

এ ব্যপারে কালকিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মাহবুবা ইসলাম বলেন, সে যদি কোর্ট থেকে অর্ডার আনতে পারে,তাহলে তার নামে নামজারি হতে পারে।
নাহলে বাদ করা হবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD