1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২৬ জানুয়ারি বরিশালে আসছেন তারেক রহমান, সঞ্জীবিত কর্মী-সমর্থকরা শবে মেরাজের রাতের ফজিলত-আমল ভোলায় তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ শেষ ওভারের রোমাঞ্চে রাজশাহীর জয়, কোয়ালিফায়ারে ওয়ারিয়র্স জামায়াত জোট থেকে বেরিয়ে গেল ইসলামী আন্দোলন, একক নির্বাচনের ঘোষণা বাবরের ১ম কারা মুক্তি দিবসে শোকরানায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল তিতাসে পানিতে ডুবে প্রাণ গেলো চার বছরের এক শিশুর আশুলিয়ায় প্রকাশ্যে সাংবাদিক সেলিম হোসেনকে হত্যাচেষ্টা, ফিরোজ ফরাজীসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে জিডি আগুনে পুড়ল ঘাম ঝরানো সঞ্চয়, ছাইস্তূপে অক্ষত পবিত্র কুরআন ঢাকা ২০ আসনে কে হবেন বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী এ নিয়ে চলছে আলোচনা

গৌরনদীতে দ্বিগুণ খেয়া ভাড়া আদায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাব

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

ছোট্ট একটি নদী আছে আমার ছোট্ট গাঁয়ে এই নদীতে যাওয়া আসা খেয়া ঘাটের নায়ে। এই নদীটির আড়িয়াল খার শাখা নদী, গৌরনদী নদীনামে পরিচি। যা বরিশাল জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব কোণে। গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নের হোসনাবাদ লঞ্চঘাট এলাকায় নদীর এপার পারের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে খেয়া। এই খেয়ার উপর ভরসা করে বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার সাহেবেরচর, নাজিরপুরসহ গৌরনদী উপজেলার প্রায় প্রতিদিন ১ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। দুই উপজেলার মানুষ এক সময় ২ টাকা খেয়া ভাড়া দিয়ে পারাপার হতো। পরবর্তীতে এখন ৫ টাকা। আর সেই ৫ টাকার খেয়া ভাড়া এখন একবার নদীর এপার হলেই গুনতে জন প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা।

বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নের সোসনাবাদ খেয়াঘাটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনের চলাচলে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জানা গেছে, নির্ধারিত ভাড়া ৫ টাকা হলেও বর্তমানে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। যাত্রীদের অভিযোগ, ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করা হলেও প্রশাসনের কোনো নজরদারি নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা হালিম সিকদার জানান, “আগে ভাড়া ছিল ২ টাকা, পরে ৫ টাকা করা হয়। এখন হঠাৎ করে ১০ থেকে ১৫ টাকা আদায় করা হচ্ছে। কোনো ঘোষণাও নেই। আমরা গরিব মানুষ, প্রতিদিন যাতায়াত করি, এই বাড়তি টাকা কেমন করে দেব?”

অন্য আরেক বাসিন্দা মো. বশির মুন্সী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই জুলুমের শেষ কোথায়? খেয়াঘাট পরিচালনার দায়িত্বে যারা আছে, তারা কি কিছুই দেখছে না? আমরা চাই আবার আগের ৫ টাকার ভাড়াই বহাল থাকুক।”

এ বিষয়ে খেয়াঘাট ইজারাদার, মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ফরিদ খান বলেন, “আগে খেয়াঘাটের ইজারা ১০ হাজার টাকায় পাওয়া যেত, এখন সেটা বেড়ে ২৫ লাখ হয়েছে। ৫ টাকা ভাড়ায় খরচ উঠানো সম্ভব না, তাই আমাদের ১০-১৫ টাকা নিতে হচ্ছে।” বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খেয়া ভাড়া নির্ধারণে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ জরুরি। না হলে এই অবস্থার উন্নতি হবে না, বরং সাধারণ যাত্রীরা আরও বিপাকে পড়বে।

এলাকাবাসীল দাদী প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকলে, সোসনাবাদ খেয়াঘাট রীতিমতো চাঁদাবাজির আখড়ায় পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD