1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রয়াত প্রভাষক ফকরুল আলমের স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত গৌরনদীতে উপজেলা প্রশাসন ও মিরকাদিম পৌরসভার প্রশাসকের আন্তরিক সহযোগিতায় চলছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের অভিযোগ ১ জেলে আটক জুড়ীর মনিরুজ্জামান এবার সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ, নারী পোশাককর্মী নিহত পীরগঞ্জের উপদইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ মুন্সীগঞ্জে সাদা রঙে ঐতিহ্যের ছাপ, মিরকাদিমের ধবল গরুর কদর দেশজুড়ে ‎ওসি তারিক হাসান রাসেলের দক্ষ নেতৃত্বে জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন গৌরনদী মডেল থানার ছদ্মনামে জনপ্রতিনিধি, ১৮ বছর পর র‌্যাবের জালে ধরা গৌরনদীতে দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১১ বছরের শিশু, ১২দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি আতঙ্কে আছ কিশোরীর পরিবার

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে
নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মদন উপজেলার আমান উল্লাহ সাগর (৩০) নামের সেই মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাতে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার ১২দিন পাড় হলেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত আসামী।
গত শুক্রবার শিশুটিকে তার “মা” মদনে একটি প্রাইভেট ডায়গনিষ্টক সেন্টারে গাইনি চিকিৎসক দেখান। পরে ওই চিকিৎসক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পরিচয় গোপন রেখে কিশোরীর জীবন ঝুঁকিতে থাকার বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন। এরপর ঘটনাটি সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়। এদিকে সোমবার রাতে ওই মাদ্রাসা শিক্ষকের একটি ভিডিও আব্দুল কাইয়ুম নামের একজনের ফেসবুকে পোস্ট করেন। যেখানে সাগর নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন। একই সাথে কিশোরীর নানা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে ভিডিও বার্তায় তিনি জানান।
অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহাড় বড়বাড়ি গ্রামের  মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি ওই গ্রামের হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক।
মামলার এজহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচাহাড় গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসাতে তার স্ত্রীও শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। এই মাদ্রাসায় আশেপাশে এলাকার মেয়েরা লেখাপড়া করেন। একই এলাকার স্বামী পরিত্যক্ত মহিলার একমাত্র মেয়ে ওই কিশোরী। জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কিশোরীর মা সিলেটে গৃহ পরিচালিকার কাজ করেন। ওই মেয়েটি নানীর কাছে থেকে ওই মহিলা কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতেন। এর মধ্যে গত বছর নভেম্বর মাসে আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে না জানাতে প্রাণনাশে ভয় দেখান সাগর।
পরে মেয়েটিকে অজুহাত দেখিয়ে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন । পাঁচ মাস পার হওয়ার পর কিশোরী মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন আসে শরীরে । সন্দেহ হলে মেয়েটির মা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে মেয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক সাগরের ধর্ষণের স্বীকার হওয়ার বিষয়টি তার মা কে জানায়। ঘটনাটি জেনে কিশোরীর মা এলাকায় আসেন বিচার চাইতে। আমান উল্লাহর পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার না পেয়ে উল্টো তাদের হুমকির ধমকিত দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেন।
গত ২২ এপ্রিল সংবাদ প্রকাশের পর পর পুলিশের সহযোগিতায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এর আগে ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে আমান উল্লাহ সাগর মাদ্রাসা তালাবদ্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।
অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন। তিনি বলেন, কিশোরী অন্তঃসত্ত্বার বিষয়ে আমাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জাড়ানো হয়েছে। আমি চাই ডিএনএ পরীক্ষা করানো হোক। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সত্য প্রকাশ হবে। একই সাথে ওই কিশোরীর নানার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে দাবী করেন  অভিযুক্ত আমানুল্লাহ সাগর।
কিশোরীর নানা বলেন, ধর্ষণ করে শিশু মেয়েটিকে অন্তঃসত্ত্বা করে জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। আমার উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। হুজুরবেসী ওই নরপশুকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।
কিশোরীর মা বলেন, একে তো ওই হুজুর লেবাসদারী লম্পট আমার মেয়ের প্রতি অবিচার করেছে। আবার আমার বাবার উপর মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে সে প্রভাবশালীর ক্ষমতা দেখাচ্ছে। আমি যদি আইনের মাধ্যমে বিচার নাও পাই। তারপরও এর উপর আল্লাহর গজব পড়বে। আমার মেয়ের জীবন ঝুঁকিতে আছে। সরকারের কাছে একটাই দাবী আমার গরিব মানুষ আমার মেয়ে যেন ন্যায় বিচার পায়।
অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর চিকিৎসক ডা. সাইমা আক্তার আল্ট্রসনোগ্রাম সহ বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পেটে সন্তান ২৭ সপ্তাহ উল্লেখ করে মেয়েটির জীবন ঝুঁকিতে থাকার শঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আলোচিত ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী মামলার আসামী গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD