1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‎গৌরনদীতে ইফতার শেষে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসী হামলা: কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত ২ ‎ কালিয়াকৈরে বসতবাড়িতে আগুন, কলোনির ১০টি রুম পুড়ে ছাই মুন্সীগঞ্জে নৌ পুলিশের অভিযানে ৭০ কেজি জাটকা জব্দ ধামরাইয়ে পাঁচ ইটভাটায় ২৪ লাখ টাকা জরিমানা, একটির চিমনি ধ্বংস নরসিংদী মব সৃষ্টির অবসান ঘটিয়ে প্রধান শিক্ষক বরুণ চন্দ্র দাস স্বপদে বহাল মুন্সীগঞ্জে লৌহজংয়ে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত দুই যুবকের মৃত্যু বেড়িবাঁধের আশ্রয়েও জুটল না নিরাপত্তা: লোনা পানির প্রতিবাদ করায় ভূমিহীন নারীকে মারপিট ধামরাই থানায় যানবাহনের সংকটে কাংখিত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব মোঃ ইসরাফিল হোসেন ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প

সরাইলে নদীভাঙনে দুর্ভোগে ৪ গ্রামের মানুষ

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের পালপাড়া, পানিশ্বর, শাখাইতি ও দেওবাড়িয়া গ্রাম মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত। এ গ্রামগুলোর এক থেকে দেড় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ বছরও দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। অব্যাহত ভাঙনে গত চার দশকে পানিশ্বর গ্রামটির তিন-চতুর্থাংশ বিলীন হয়ে গেছে। বাকিটুকু বিলীনের পথে।

শাখাইতি গ্রামের ইউপি সদস্য ছাদু মিয়া বলেন, গত পাঁচ বছরে নদীভাঙনে শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি বিলীন হয়েছে। প্রায় পাঁচ একর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। অনেক পরিবার গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। নদীভাঙনে পানিশ্বর বাজার, পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়, শাখাইতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শোলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। গ্রামের বাসিন্দারা সর্বক্ষণ ভীতি আর আতঙ্কে সময় পার করছে। ক্ষতিগ্রস্ত উসমান চৌধুরী জানান, মেঘনা নদী ভাঙনের ফলে আমার ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে।

পানিশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত কয়েক দিনে অন্তত ২০টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীতে ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর অবস্থায় আছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। নদীর অব্যাহত ভাঙনের কারণে ঝুঁকিতে আছে নদীতীরবর্তী আরও শতাধিক ঘরবাড়ি। অধিকাংশ মানুষ ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, দোকানপাট হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন। বেশ কয়েকটি রাইস মিল মালিক নিঃস্ব হয়ে গেছেন। ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত ভাঙন ঠেকানো ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।

সরাইলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মোশারফ হোসাইন বলেন, আমি নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনজুর হোসেন বলেন, সরাইলে মেঘনা নদীতে ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী প্রকল্প তৈরি করে প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD