
সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) : ঢাকার ধামরাইয়ে গৃহবধূ রূপা আক্তারের (২৫) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। দাফনের ০৫ মাস পর আদালতের নির্দেশে নিহত গৃহবধূর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে যাদবপুর ইউনিয়নের রাঙ্গাপাড়া কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করে পিবিআই।
নিহত রূপা আক্তার ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের আমড়াইল রাঙ্গাপাড়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বছরের ২৮ নভেম্বর রাতে উপজেলার ইসমাইল হোসেনের মালিকানাধীন একটি টিনশেড বাসা থেকে রূপা আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও পরবর্তীতে নিহতের পরিবার একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে।
হত্যার অভিযোগে রূপা আক্তারের পরিবার বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটির তদন্তের ভার পায় পুলিশ ইনভেস্টিগেশন অব ব্যুরো (পিবিআই)। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালত মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেন।
মরদেহ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন, ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিদওয়ান আহমেদ রাফি, ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আকিব হোসাইন এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেদ ।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর সহকারী পুলিশ পরিদর্শক মো. খালেদ জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।