1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বংশী নদী দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে রহস্যজনকভাবে একই স্কুলের ৪ ছাত্রী নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় চার পরিবার রাণীশংকৈলে বাক্‌প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামির ১১ বছর পর যাবজ্জীবন সাজা রাণীশংকৈলে ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত: অধিকার ও আত্মমর্যাদার সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ আশুলিয়ায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ পেশাদার নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কালকিনির এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন মোঃ মামুন খান শুভ হাসান ও শোভা ইসলামের দ্বৈত কণ্ঠে আসছে কভার গান ‘আমি তোমার হাতের খেলনা সাভারে রাতভর পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা উৎপাদন, পরিবেশ দূষণের অভিযোগ কয়রায় টাইগার খলিলের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নেত্রকোনায় বাজেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত

রাণীশংকৈলে বাক্‌প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামির ১১ বছর পর যাবজ্জীবন সাজা

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) :
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার এক বাক্‌প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় দীর্ঘ ১১ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এ মামলায় প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের মমিন (পিতা: জালাল প্রামাণিক)। একই মামলার অপর আসামিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত বেকসুর খালাস দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে উপজেলার ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের এক বাক্‌প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার হন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে রাণীশংকৈল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ, চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার পর আদালত প্রধান আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। এর ভিত্তিতে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
অন্যদিকে, মামলার অপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় আদালত তাকে খালাস প্রদান করেন। রায়ের পর সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে এ ধরনের রায় সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD