
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার আশুলিয়ায় শ্রমিক দল নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পৃথক তিনটি স্থানে সংঘটিত এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন বলে দাবি স্থানীয়দের। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় জব্বার নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে আশুলিয়ার কাঠালতলা, চিত্রশাইলের মানিকগঞ্জ পাড়া ও কামরুলেট মোড় এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের বাসায় একদল লোক হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণ করে। এ সময় বাসার সিঁড়ির নিচে হামিম নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া ইয়ারপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি সাঈদ হাসান মিঠুকেও কুপিয়ে ও গুলি করে আহত করার অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় এক চায়ের দোকানদার ও তাঁর ছেলেসহ অন্তত চারজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নারীসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি স্থানীয়দের। পরে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হামলার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে দুই পক্ষের মধ্যে। রবিউল ইসলামের অভিযোগ, মাদকের বিরুদ্ধে মিছিল করায় হাবিব ও হাসান বাহিনীর লোকজন তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এ হামলা চালিয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিব দাবি করেছেন, এ হামলার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বরং প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর দুই ছেলেকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় জব্বার নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে হামলার প্রকৃত কারণ, গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং আহতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে তদন্ত চলছে।
পৃথক তিনটি স্থানে হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।