1. abdullahamtali@gmail.com : আব্দুল্লাহ আল নোমান : আব্দুল্লাহ আল নোমান
  2. abdussalam190191@gmail.com : মোঃ আব্দুস ছালাম : মোঃ আব্দুস ছালাম
  3. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  4. ajkerpratidin@gmail.com : খোকন হাওলাদার : খোকন হাওলাদার
  5. alaminbappy521@gmail.com : মোঃ আল-আমিন বাপ্পি : মোঃ আল-আমিন বাপ্পি
  6. ekhlasur831@gmail.com : মোঃ ইখলাছুর রহমান : মোঃ ইখলাছুর রহমান
  7. info.shabbirahammed@gmail.com : Shabbir : Shabbir
  8. jahidulislam320985@gamil.com : জাহিদুল ইসলাম : জাহিদুল ইসলাম
  9. khokon28.bd@gmail.com : খোকন হাওলাদার : খোকন হাওলাদার
  10. khonjoy618@gmail.com : আলামিন ভূঁইয়া : আলামিন ভূঁইয়া
  11. litonmh262@gmail.com : liton Mahmud : liton Mahmud
  12. m01747812260@gmail.com : মোঃ রুবেল : মোঃ রুবেল
  13. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  14. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  15. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  16. spbijoy441@gmail.com : Poresh Chandro Bormon : Poresh Chandro Bormon
  17. zeebon.office@gmail.com : Riaz Islam Jibon : Riaz Islam Jibon
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গৌরনদীতে ১ নম্বর ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মেম্বার পদপ্রার্থী রুহুল আমিন বেনাপোল স্থলবন্দরে রাজস্ব ফাঁকি ও চোরাচালান কঠোর বার্তা প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কয়রায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ গৌরনদীতে মাদক ব্যবসা ছেড়ে প্রশাসনের কাছে চারজনের আত্মসমর্পণ ধামসোনা ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দিল মোহাম্মদ দিলু নির্বাচিত গৌরনদীতে দ্রুত ভূমিসেবা নিষ্পত্তি, প্রশংসিত এসিল্যান্ড মেহেদী হাসান গৌরনদীর ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার আশুলিয়ার এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কর্মীর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও হয়রানির অভিযোগ গৌরনদীতে গোয়ালঘরে আগুনে গরু-ছাগলের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পরিদর্শনে ইউএনও মোঃ ইব্রাহিম খুলনা জেলা যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে কয়রায় আনন্দ মিছিল

গাজীপুরে এক শিশুর ভিতর আরেক শিশুর অস্তিত্ব, অস্ত্রোপচারে সার্জনদের সফলতা

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৪
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাজীপুরে একটি শিশুর শরীরের মধ্যে আরেকটি শিশুর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বিরল এ ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বিকেবাড়ি গ্রামে। ওই গ্রামের দরিদ্র ইমরান হোসেন সবুজ ও মরিয়ম আক্তার দম্পতির ঘরে শিশুটির জন্ম হয়।

গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জনরা শনিবার শিশুটির শরীরে অস্ত্রোপচার করে একত্রে থাকা ওই শিশুটিকে আলাদা করতে সক্ষম হয়েছে। হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু-কিশোর বিশেষজ্ঞ সার্জন ডাক্তার শঙ্কর চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে কয়েকজন সার্জন দীর্ঘ দুই ঘন্টা চেষ্টা করে শিশু দুইটিকে আলাদা করেছেন। যে শিশুটির দেহ থেকে অন্য একটি শিশুকে আলাদা করা হয়েছে ওই শিশুটি সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছেন অপারেশনের সাথে জড়িত হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ডাক্তাররা জানান, একটি শিশুর দেহে আরেকটি শিশুর অবস্থানের মত এ ধরনের ঘটনা বিরল। এটি একটি জন্মগত সমস্যা যাহা সচরাচর ঘটে না। মেডিকেল বা ডাক্তারি পরিভাষায় এটা কে ফিটাস ইন ফিটু শিশু বলা হয়। সাধারণত প্রতি ৫ লক্ষ শিশুর জন্য এ ধরনের একটি শিশু পাওয়া যেতে পারে। সারা বিশ্বজুড়ে এরকম ঘটনা ঘটেছে দুই শতেরও কম।

একটি শিশুর শরীরের ভেতর আরেকটি শিশুর অবস্থান এটা কিভাবে সম্ভব – এ বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং নবজাতক ও শিশু কিশোর বিশেষজ্ঞ সার্জন ডাক্তার শঙ্কর চন্দ্র দাস জানান, মায়ের পেটে যখন বাচ্চা আসে অর্থাৎ অতি শুরুতে ডিম্ব নিষিদ্ধ হবার পর কোষ বিভাজন হতে হতে সাধারণভাবে একটি বাচ্চার জন্ম হয়। কিন্তু কোষ বিভাজনের কোন এক পর্যায়ে যদি কোষগুলি সমান দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় তবে দুইটি জমজ বাচ্চার জন্ম হতে পারে। কিন্তু কোষগুলি অসমান দুই ভাগে ভাগ হলে বেশি কোষ যুক্ত ভাগ থেকে সাধারণত একটি সুস্থ পূর্ণাঙ্গ শিশুর জন্ম হয়। কম কোষযুক্ত ভাগ থেকে অপর একটি বাচ্চা বড় হতে শুরু করে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই বাচ্চাটির সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে তৈরি হয় না। এই বাচ্চাটি পরবর্তী সময়ে সুস্থ বাচ্চাটির শরীরের ভিতর ঢুকে পড়ে এবং বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ বাচ্চাটির দেহ থেকে রক্তনালীর মাধ্যমে খাদ্য সংগ্রহ করে। এই দ্বিতীয় বাচ্চাটিকেই বলা হয় ফিটাস ইন ফিটু।

চিকিৎসকরা জানান, এই ফিটাস ইন ফিটু শিশুটির সাধারণত ব্রেন তৈরি হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেরুদন্ডের হাড় তৈরি হয়, ক্ষুদ্র আকারে হাত পা তৈরি হয় এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে তৈরি হয় না।

ডাক্তার শংকর চন্দ্র দাস আরো জানান, শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে এই ফিটাস ইন ফিটু শিশুটির অবস্থান হয় সুস্থ শিশুটির পেটের ভিতর। বাকি ২০ ভাগ ক্ষেত্রে শিশুটির অবস্থান হতে পারে বুকের ভিতর, তলপেটে, মাথার ভিতর, মুখের ভিতর, অন্ডকোষের ঝুলির ভিতর অথবা পায়ুপথের পিছনে।

একসাথে এ ধরনের জমজ দুই শিশুকে প্যারাসাইটিক টুইন বলা হয়। এদের মধ্যে ফিটাস ইন ফিটু শিশুটি পূর্ণাঙ্গভাবে জন্ম না নিলেও শিশুর মধ্যে জীবনের অস্তিত্ব থাকে।

শনিবার হাসপাতালে অবস্থানরত শিশুটির পিতা ইমরান হোসেন সবুজ ও তার মা মরিয়ম আক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, , গর্ভকালীন সময়ে তারা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সে সময় তারা স্থানীয় ক্লিনিকে গিয়ে আলট্রাসনোগ্রাম করালে তাদেরকে বলা হয় মেয়ে সন্তান জন্ম নিবে। কিন্তু স্থানীয় মনিপুর বাজারের আল মদিনা হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করে শিশুটির জন্ম হয়। তখন তারা এ ঘটনাটি দেখতে পান । দেখে প্রথমে কিছুটা বিচলিত হলেও পরবর্তীতে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। ওই ডাক্তার তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু গার্মেন্টস কর্মী দরিদ্র ইমরান শিশুটির অপারেশন করতে অনেক টাকা লাগবে মনে করে তার এক আত্মীয়ের পরামর্শে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাক্তার শংকর চন্দ্র দাসের সাথে দেখা করে শিশুটি সার্বিক অবস্থা ও তাদের পারিবারিক অবস্থার কথা জানান।

ডাক্তার শংকর চন্দ্র দাস শিশুটি দেখে নিজ উদ্যোগে হাসপাতালের অন্যান্য সার্জনদের সাথে পরামর্শ করে এই শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। পরে তিনি হাসপাতালে অপারেশনের যাবতীয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেন। হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা প্রদান ও অবজারভেশন রাখা হয়। শনিবার অপারেশন করে ফিটাস ইন ফিটু শিশুকে আলাদা করা হবে। সে অনুযায়ী হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার সহ অন্যান্য সবকিছু প্রস্তুত করে শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় তার অস্ত্রোপচার শুরু করা হয়। সাড়ে ১১টায় অস্ত্রোপচার সফলভাবে শেষ হয়। অস্ত্রোপচারে ডাক্তার শঙ্কর চন্দ্র দাসের সাথে হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও শিশু সার্জারি বিভাগের সার্জন খাজা হাবিব সেলিম, সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার শামসুল হুদা, সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার মনিরুল ইসলাম, ডাক্তার মইনুল হোসেন চৌধুরী সহ ১০/১২ জন ডাক্তার, নার্স এবং ওটি বয় অংশ নেন।

অপারেশনের নেতৃত্বে থাকা ডাক্তার শঙ্কর চন্দ্র দাস ফিটাস ইন ফিটু শিশুটি সম্পর্কে বলেন, এই শিশুটির অবস্থান ছিল মূল শিশুটির পায়ুপথের পিছনে কোমরের সাথে সংযুক্ত। এর ব্রেন ছিলনা এবং মেরুদন্ড ছিল না। তবে একটি পা ছিল বড় আরেকটি পা ছিল ছোট আকারের। বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ বাচ্চাটির দেহ থেকে রক্তনালীর মাধ্যমে খাদ্য সংগ্রহ করে এতদিন বেঁচে ছিল শিশুটি।

ডাক্তার শংকর চন্দ্র দাস জানান, আমাদের হাসপাতাল এমনকি বাংলাদেশে এ ঘটনাটি একটি বিরল ঘটনা। এর আগে একটি শিশুর মধ্যে আরেকটি শিশুর অপারেশন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও সিলেট মেডিকেল কলেজে হয়েছিল। তাই আমরা আমাদের হাসপাতালের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের একটি জটিল অপারেশন করতে আগ্রহী হই। আমরা সফলভাবে অপারেশনটি করতে সক্ষম হয়েছি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৬ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD