1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গৌরনদীতে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন গোবিন্দ মিস্ত্রি, সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান গৌরনদীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত গৌরনদীতে পঁচা-বাসি খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ গৌরনদীর বার্থী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জনআস্থার প্রতীক কাইয়ুম খান — জনপ্রিয়তার শীর্ষে মেম্বার পদপ্রার্থী গবেষণার জন্য সাভারে বিএলআরআইতে আনা হলো আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সাভার-আশুলিয়ায় সতর্ক অবস্থানে যুবদল সাভার-আশুলিয়ায় ১৩ জন আটক, নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ খালের দখলদার রক্ষায় স্কুলের ৬ পাকা টয়লেট অপসারণের চাপের অভিযোগ, গৌরনদীতে ক্ষোভ ‎প্রতিমন্ত্রী ভিপি নূরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত; গৌরনদীর সমস্যা-সম্ভাবনা তুলে ধরলেন সোলায়মান তুহিন গৌরনদী–আগৈলঝাড়ায় মাদকের কালো সাম্রাজ্য: প্রশাসনের নীরবতায় হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক!

ফরিদপুরে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ইলিশের দাম কমে গেল

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুর জেলা সদর বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর। এতে ইলিশের দাম প্রতি কেজিতে কমেছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ইলিশের বাজারে অভিযানের সময় শিক্ষার্থী ও পুলিশ-আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, সরকার বদল হলেও ফরিদপুরের বাজার ব্যবস্থাপনা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙেনি।এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে আহ্বান জানায় স্থানীয় লোকজন।

এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ ইলিশের বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর।

কয়েক দিন ধরে যে মাছের দাম ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকা কেজি চাওয়া হয়েছিল অভিযানের পর দাম কমে সেই মাছ ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

অভিযানে দুর্গা মৎস্য ভাণ্ডার ও রুপালি ইলিশ নামে দুই ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে মাছ কিনতে আসা আনিসুর রহমান বলেন, অভিযানের আগে যে মাছটির দাম ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল এখন সেটি কমে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় চলে এসেছে।এ রকম নজরদারি মাঝেমধ্যেই হওয়া দরকার, তবেই অসাধু ব্যবসায়ীদের হাত থেকে ভোক্তারা রেহাই পাবে।

ক্রেতারা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ‘অভিযানের ফলে কেজিতে ২০০ টাকা বা তার কমবেশি দাম কমেছে, তবে কেন সব সময় এমনটি হবে না? আমাদের ব্যবসায়ীদেরও নৈতিক অবক্ষয় ঘটেছে। সব কিছুতেই অধিক মুনাফা খোঁজার অভ্যাসটা রয়েই গেছে তাদের।’

অভিযান পরিচালনার সময় কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ইলিশ মাছের বড় আড়তদাররা ৪২ থেকে ৪৩ কেজিতে মণ হিসেবে কিনলেও খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন ৪০ কেজিতে।

তাদের দাবি দেশের কোনো মাছ বাজারে এই ব্যবস্থা নাই। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে আড়তদার মাছ দেওয়া বন্ধ করে দেন।
রমজান শেখ ও মো. আলমগীর হোসেন নামের দুই খুচরা মাছ ব্যবসায়ী বলেন, অন্যান্য জেলার মতো এখানেও যদি মণ প্রতি দুই থেকে তিন কেজি ধরে তাদের কাছে বিক্রি করে, তাহলে কেনা দামে বিক্রয় করলেও তাদের লোকসান হয় না।

ফরিদপুর ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল শেখ বলেন, ‘কয়েক দিন যাবৎ বিভিন্নভাবে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছিল ইলিশের সিন্ডিকেটের বিষয় নিয়ে। যে কারণে আমরা বাজার পরিস্থিতি জানার জন্য অভিযান পরিচালনা করেছি।বাজারে নানা অভিযোগ আমাদের দৃষ্টিতে আসে। প্রাথমিকভাবে আমরা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি। এ ছাড়া দুই ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সদস্য মো. আব্দুল কাইয়ুম, জাহিদ, রুবেল ও জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ব্যাটালিয়ন আনসার এবং সংশ্লিষ্ট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতারা উপস্থিত থেকে অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD