1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জিরানী টেংগুরী বাজারে বিদেশি মদ–ইয়াবাসহ যুবক আটক আশুলিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইয়াসিন মিয়ার মৃত্যু: দোয়া মাহফিলের আয়োজন সদরপুরে গৃহবধূর গলায় ফাঁস, পরিবারের অভিযোগ হত্যা তিতাস উপজেলা জাসাসের আহবায়ক দেলোয়ার, সদস্য সচিব সাজ্জাদ আশুলিয়ায় উঠান বৈঠকে ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় দাড়িপাল্লা প্রতীককে ভোট দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসক পলাতক জামায়াত প্রার্থীর নিজ গ্রামে গণসংযোগে “জনতার ঢল” বিজয় অর্জন করে ঘরে ফিরতে চায় গ্রামবাসি ‘এমপি-মন্ত্রীদের বিদেশ যাওয়া বন্ধ হলে স্বাস্থ্যখাত দুর্নীতিমুক্ত হবে’ ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গভীর নলকূপের পাইপে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে জীবিত উদ্ধার

ফরিদপুরে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ইলিশের দাম কমে গেল

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক ||
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুর জেলা সদর বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর। এতে ইলিশের দাম প্রতি কেজিতে কমেছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ইলিশের বাজারে অভিযানের সময় শিক্ষার্থী ও পুলিশ-আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, সরকার বদল হলেও ফরিদপুরের বাজার ব্যবস্থাপনা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙেনি।এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে আহ্বান জানায় স্থানীয় লোকজন।

এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ ইলিশের বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর।

কয়েক দিন ধরে যে মাছের দাম ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকা কেজি চাওয়া হয়েছিল অভিযানের পর দাম কমে সেই মাছ ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

অভিযানে দুর্গা মৎস্য ভাণ্ডার ও রুপালি ইলিশ নামে দুই ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে মাছ কিনতে আসা আনিসুর রহমান বলেন, অভিযানের আগে যে মাছটির দাম ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল এখন সেটি কমে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় চলে এসেছে।এ রকম নজরদারি মাঝেমধ্যেই হওয়া দরকার, তবেই অসাধু ব্যবসায়ীদের হাত থেকে ভোক্তারা রেহাই পাবে।

ক্রেতারা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ‘অভিযানের ফলে কেজিতে ২০০ টাকা বা তার কমবেশি দাম কমেছে, তবে কেন সব সময় এমনটি হবে না? আমাদের ব্যবসায়ীদেরও নৈতিক অবক্ষয় ঘটেছে। সব কিছুতেই অধিক মুনাফা খোঁজার অভ্যাসটা রয়েই গেছে তাদের।’

অভিযান পরিচালনার সময় কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ইলিশ মাছের বড় আড়তদাররা ৪২ থেকে ৪৩ কেজিতে মণ হিসেবে কিনলেও খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন ৪০ কেজিতে।

তাদের দাবি দেশের কোনো মাছ বাজারে এই ব্যবস্থা নাই। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে আড়তদার মাছ দেওয়া বন্ধ করে দেন।
রমজান শেখ ও মো. আলমগীর হোসেন নামের দুই খুচরা মাছ ব্যবসায়ী বলেন, অন্যান্য জেলার মতো এখানেও যদি মণ প্রতি দুই থেকে তিন কেজি ধরে তাদের কাছে বিক্রি করে, তাহলে কেনা দামে বিক্রয় করলেও তাদের লোকসান হয় না।

ফরিদপুর ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল শেখ বলেন, ‘কয়েক দিন যাবৎ বিভিন্নভাবে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছিল ইলিশের সিন্ডিকেটের বিষয় নিয়ে। যে কারণে আমরা বাজার পরিস্থিতি জানার জন্য অভিযান পরিচালনা করেছি।বাজারে নানা অভিযোগ আমাদের দৃষ্টিতে আসে। প্রাথমিকভাবে আমরা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি। এ ছাড়া দুই ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সদস্য মো. আব্দুল কাইয়ুম, জাহিদ, রুবেল ও জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ব্যাটালিয়ন আনসার এবং সংশ্লিষ্ট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতারা উপস্থিত থেকে অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD