
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি : আশুলিয়ার নরসিংহপুর বিপুল ভিলার বিপরীতে মনসুরের বাসার নুর ইসলাম নামের এক ভাড়াটিয়া, মুসা নামে এক যুবককে ধারালো বটি দিয়ে এলোপাতাড়ি কু’পি’য়ে জ*খ*ম করে।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আশুলিয়া নারী শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এনাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আইসিওতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সোমবার (৬ জানুয়ারী) সন্ধ্যা ৬:৩০ ঘটিকার সময় আশুলিয়া নরসিংহপুর মুনসুর বাসায় এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনার সাথে জড়িত নুর ইসলাম কে দেশীয় বটিসহ এলাকাবাসী হাতে নাতে আটক করে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে।
আহত হলেন, যশোর জেলার মাজেদের ছেলে মো মুসা। দীর্ঘ দিন যাবত আশুলিয়ার নরসিংহপুর মুনসুর আলীর বাসায় ব্যাচেলার ভাড়া থাকে। তিনি শারমিন গ্রুপে অপারেটরে চাকরি করেন।
আসামি হলেন, টাংগাইল জেলার গোপালপুর খালেকের ছেলে নুর ইসলাম।দীর্ঘ দিন যাবত আশুলিয়ার নরসিংহপুর মুনসুর আলীর বাসায় ব্যাচেলার ভাড়া থাকে। তিনি হামিম গ্রুপের ৬তলায় অপারেটরে চাকরি করেন।
মুনসুর এর বাসায় এত বড় দুর্ঘটনা হওয়ার সত্বেও ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত হলে বাড়িওয়ালা এবং ম্যানাজারের দেখা পাওয়া যায়নি। বাড়িওয়ালা এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য তাহার নাম্বারে একাধিক বার ফোন দিলে সে ফোন কেটে দেয় এবং বাড়িওয়ালা যোগাযোগ করার প্রয়োজন মনে করে নাই।
এলাকাবাসী বলেন,মুসা আর নুর ইসলাম দীর্ঘ দিন যাবত ব্যাচেলার বাসাভাড়া নিয়ে একই রুমে বসবাস করে আসছে।তাদের চলাচলে দুইজনের মধ্যে সমকামী (স্বামী স্ত্রীর) মত আচার আচরণ দেখতে পায়।তারা ইয়াবা সেবন করে থাকে।
নুর ইসলাম সাথে কথা বলে জানা যায়,দুইজন একসাথে থাকেন বহুবছর ধরে, একজন আরেকজনের অনেক আপন এবং তাদের দুইজনের মধ্যে ভাইয়ের মতো সম্পর্ক ছিলো।বহু বছরের এই সম্পর্কে হঠাৎ আগমন ঘটে অতিথির। পুরুষ যখন অতিথি পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত এই দৃশ্য চোখে পড়ে নুর ইসলামের এগুলো দেখে রাগে দুঃখে জিদে অভিমানে সহ্যের সীমা বাঁধ ভেঙে যায়, হাতে বটি তুলে নিয়ে এ’লোপা’তাড়ি কো’পাতে থাকেন তার পুরুষ সঙ্গিকে।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক এস আই সোহেল রানা ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করে দাঁড়ালো বটিসহ নুর ইসলাম কে থানায় নিয়ে যায়। এই বিষয়ে অভিযোগ বা মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।