1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Masud Sarder : Masud Sarder
  3. emranniloy53@gmail.com : NILOY :
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
  5. rashedapple7@gmail.com : Rashed Ahmed : Rashed Ahmed
  6. khokon28.bd@gmail.com : Sohag Hossein : Sohag Hossein
শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বেগম খালেদা জিয়া ও শরীফ উসমান হাদির স্মরণে আশুলিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল গণতন্ত্রের জন্য খালেদা জিয়া আজীবন সংগ্রাম করেছেন: শামা ওবায়েদ কুমিল্লা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিনকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ বরিশাল-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী জয়নুল আবেদিনের সহযোগী আইনজীবীকে মারধর ফরিদপুরে যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ আ.লীগের ৫ নেতা বিএনপিতে যোগদান কয়রা লোকলয়ে ১০ ফুট লম্বা অজগর সাপ উদ্ধার সুন্দরবনে অবমুক্ত ফুলবাড়ীতে বিজিবি‘র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ধামরাইয়ে নওগাঁও মানবিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া, বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা

আজও কাটতারে ঝুলে আছে সীমান্তে ফেলানী হত্যার বিচার

আজকের প্রতিদিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : আজ ৭ জানুয়ারি। সীমান্তে কিশোরী ফেলানী হত্যার ১৫ বছর। ২০১১ সালের এই দিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ-র গুলিতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয় ফেলানী। দীর্ঘ সাড়ে চার ঘণ্টা কাটাতারে ঝুলে থাকে ফেলানীর মৃতদেহ। গণমাধ্যমসহ বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ভারত। পরে বিএসএফ এর বিশেষ কোর্টে দুই দফায় বিচারিক রায়ে খালাস দেয়া হয় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে। এ রায় প্রত্যাক্ষান করে ভারতীয় মানবাধিকার সংগঠন মাসুম এর সহযোগিতায় ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টে রীট আবেদন করে ফেলানীর পরিবার। এই হত্যা কান্ডের ১৫ বছরেও সুষ্ঠু বিচার পায়নি ফেলানীর পরিবার। ফেলানীর বাবা-মায়ের অভিযোগ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কারণেই ফেলানির বিচার পাননি তারা। তবে নতুর অন্তবর্তী সরকারের নিকট আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে সঠিক বিচার পাবে বলেও প্রত্যাশা করেন তারা।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনীটারী গ্রামের দরিদ্র নূরুল ইসলাম পেটের তাগিদে আর দশজনের মতো পারি জমান ভারতে। পরিবার নিয়ে থাকতেন ভারতের বঙ্গাইগাঁও এলাকায়। নূরুল ইসলামের বড় মেয়ে ফেলানীর বিয়ে ঠিক হয় বাংলাদেশে। বিয়ের উদ্দেশে নিজ দেশে ভারতের কাটাতার টপকে আসতে হবে তাদের। ৭ জানুয়ারি শুক্রবার। ভোর ৬টা ফুলবাড়ির অনন্তপুর সীমান্তে মই বেয়ে কাটাতার টপকায় ফেলানীর বাবা। পরে কাটাতার টপকানোর চেষ্টা করে ফেলানী। এসময় ভারতীয় বিএসএফ’র গুলিতে বিদ্ধ হয় সে। গুলি বিদ্ধ হয়ে আধাঘণ্টা ধরে ছটফট করে কাটাতারেই ঝুলন্ত অবস্থায় নির্মমভাবে মৃত্যু হয় কিশোরী ফেলানীর। এরপর সকাল পৌনে ৭টার থেকে নিথর দেহ কাঁটাতাঁরে ঝুলে থাকে দীর্ঘ সাড়ে ৪ঘণ্টা।

এঘটনায় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় শুরু হলে ২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট ভারতের কোচবিহারে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে ফেলানী হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। বিএসএফ এর এ কোর্টে স্বাক্ষী দেন ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম ও মামা হানিফ। ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আসামী অমিয় ঘোষকে খালাস দেয় বিএসএফ এর বিশেষ কোর্ট। পরে রায় প্রত্যাক্ষান করে পুনঃবিচারের দাবী জানায় ফেলানীর বাবা। ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পূনঃবিচার শুরু হলে ১৭ নভেম্বর আবারও আদালতে স্বাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা। ২০১৫ সালের ২ জুলাই এ আদালত পূণরায় আত্মস্বীকৃত আসামী অমিয় ঘোষকে খালাস দেয়। রায়ের পরে একই বছর ১৪ জুলাই ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) ফেলানীর বাবার পক্ষে দেশটির সুপ্রীম কোর্টে রিট পিটিশন করে। ওই বছর ৬ অক্টোবর রিট শুনানী শুরু হয়। ২০১৬, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে কয়েক দফা শুনানী পিছিয়ে যায়। পরে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ করোনা শুরুর আগে শুনানীর দিন ধার্য হলেও শুনানী হয়নি এখনও। এদিকে মেয়ের হত্যাকারীর বিচার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মা জাহানারা বেগম।

ফেলানীর বাবা নূরুল ইসলাম বলেন, ফেলানী হত্যার ১৫ বছর হয়ে গেল এখন পর্যনন্ত বিচার পাই নাই। ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টে বিচারটা নিয়া গেলাম, কয়েকবার শুনানীর তারিখ দিলেও তা পিছিয়ে গেছে। আমি আমার মেয়ে ফেলানী হত্যাকারীর বিচার মরার আগে দেখে যেতে চাই। সামনে যেহেতু ভোট, যে সরকারই আসুক, ফেলানী হত্যার বিচার যেনো করে। একই কথা জানান ফেলানীর মা জাহানারা বেগম। তিনি জানান অনেকবার মেয়ে হত্যার দাবি জানিয়েছি। কিন্তু কোনো ফল পাইনি। শেখ হাসিনা সরকার ভারতের বিপক্ষে লড়তে চেষ্টা করেনি। বর্তমান ইউনুছ সরকারের কাছে আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে মেয়ে হত্যার বিচার চাই। স্থানীয়দের দাবি ফেলানী হত্যার বিচার হলে কমতো সীমান্ত হত্যা। তাই দ্রুন এই বিচারটা করা দরকার।

কুড়িগ্রাম জজ কোর্টের এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম বলেন, ভারত সরকার যদি খুব দ্রুত এই আপিলটি নিষ্পত্তি করে, ফেলানী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত এবং দায়ী যে বিএসএফ সদস্য তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করে তাহলে ভারতের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসবে এবং সীমান্ত হত্যা অনেকাংশে কমে যাবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD