1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার আমতলীতে সাড়ে ৬ হাজার গাছের চারা ও ৩০ হাজার কেজি সার বিতরন কৃষিতে নতুন বিনিয়োগ সংস্কৃতির আলোচনায় গ্রো আপ এগ্রোটেক ‎জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায় আমজাদ দেওয়ান স্কুলের পাশে ময়লার ভাগাড়, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা ম্যানহোলের খোলা গর্তে আতঙ্কিত পথচারী, ধামরাইয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনা সাভার-আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: এমপি সালাউদ্দিন বাবু প্রধানমন্ত্রীর সফরে যোগ দিতে বেইজিং গেলেন তথ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন গোবিন্দ মিস্ত্রি, সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান গৌরনদীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

সাভারে পুলিশের গুলিতে জখম মঞ্জয়ের হাত কেটে ফেলতে হলো

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি || অভাবের তাড়নায় পড়ালেখা করতে পারেনি মঞ্জয় মল্লিক (১৬)। শিশু বয়সেই বাবাকে সহায়তা করতে বেছে নেয় কর্মজীবন। কাঠমিস্ত্রি বাবা আর তার আয়ে ভালোই চলছিল সংসার। কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে পড়ে মঞ্জয়ের একটি হাতে পুলিশের গুলি লাগে। সেই হাত কেটে ফেলতে হয়েছে।

মঞ্জয় কাজ করে ঢাকার সাভার প্রেসক্লাবে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব পালন করতে হতো। কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতার মধ্যে নিরাপত্তার কারণে সাংবাদিকদের অনেকে ক্লাবে না গেলেও মঞ্জয় নিয়মিত ক্লাব খুলে বসে থাকত।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঞ্জয় বলে, ‘গত রোববার আন্দোলনকারীরা প্রেসক্লাবে হামলা করে ভাঙচুর করে। পরদিন সোমবার বিকেলে ক্লাবে গিয়ে আমি ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছিলাম। কাজের মধ্যে থাকা অবস্থায় আন্দোলনকারীরা ওই দিন আবার ক্লাবে হামলা করে। তারা ক্লাবে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি ভয়ে ক্লাব থেকে বের হয়ে থানার দিকে দৌড়াতে থাকি।

এ সময় ক্লাবের মাত্র ১ হাজার ফুট দূরে থাকা সাভার থানার পুলিশ গুলি করতে করতে ক্লাবের দিকে যাচ্ছিল। আমি আন্দোলনকারী ও পুলিশের মাঝে পড়ে পাশেই ছোট্ট একটি গলির ভেতরে ঢুকে পড়ি। সেখানে ঢুকেই পুলিশ আমাকে গুলি করে।’

মঞ্জয় বলে, ‘গলির ভেতরে ঢোকার পর পুলিশের এক কনস্টেবল বন্দুক তাক করে আমার দিকে আসেন। আমি পরিচয় দেওয়ার পর ওই পুলিশ গুলি না করে আমাকে গলি থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ দেন। কিন্তু গলি থেকে বের হয়ে সামনের দিকে আগাতেই পেছন থেকে তিনি আমাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। গুলি এসে লাগে আমার ডান হাতের কনুইয়ের নিচে। গুলি লাগার এক-দেড় ঘণ্টা পর লোকজন আমাকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন। ওই দিনই চিকিৎসকেরা আমার হাত কেটে ফেলেন।’

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের চিকিৎসক রাজ বলেন, ‘গুলিতে মঞ্জয়ের ডান হাতের কনুইয়ের নিচ থেকে হাড় গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গিয়েছিল। ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল হাতের ওই অংশের সব নার্ভ। এ জন্য শত চেষ্টা করেও তার হাত রক্ষা করা যায়নি। তাই হাত কেটে ফেলতে হয়েছে।’

মঞ্জয়ের বাবা রঞ্জিত মল্লিক বলেন, ‘এখন কাঠের কাজে আগের মতো পয়সা নাই। ঘরভাড়া দেওয়ার পর যে টাকা থাকত, তাতে সংসার চলত না। তাই পুলারে প্রেসক্লাবে কাজে দিছিলাম। দুজনের টাকায় মোটামুটি ভালোই চলত। এহন তো খুব বিপদে পইড়া গেলাম। হাত ছাড়া তো ও আর কাজ করবার পারব না।’

মঞ্জয়ের মা জোসনা মল্লিক বলেন, ‘ট্যাকার লিগা পুলাডোরে পড়াইবার পারি নাই। তাই কাজে দিছিলাম। গুলি লাইগা হেই পুলা আমার পঙ্গু অইয়া গেল। ছাত্র আর পুলিশের গন্ডগোলে আমার সংসারডাই তছনছ অইয়া গেল।’

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD