1. admin@ajkerpratidin.com : admin : Khokon Howlader
  2. sardermasud348@gmail.com : Sarder Masud : Sarder Masud
  3. news.ajkerpratidin@gmail.com : Sohag Ahammad : Sohag Ahammad
  4. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৃষিতে নতুন বিনিয়োগ সংস্কৃতির আলোচনায় গ্রো আপ এগ্রোটেক ‎জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চায় আমজাদ দেওয়ান স্কুলের পাশে ময়লার ভাগাড়, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা ম্যানহোলের খোলা গর্তে আতঙ্কিত পথচারী, ধামরাইয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনা সাভার-আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: এমপি সালাউদ্দিন বাবু প্রধানমন্ত্রীর সফরে যোগ দিতে বেইজিং গেলেন তথ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন গোবিন্দ মিস্ত্রি, সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান গৌরনদীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত গৌরনদীতে পঁচা-বাসি খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ গৌরনদীর বার্থী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জনআস্থার প্রতীক কাইয়ুম খান — জনপ্রিয়তার শীর্ষে মেম্বার পদপ্রার্থী

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত

আজকের প্রতিদিন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

উৎপল রক্ষিত, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা সম্প্রীতির বন্ধন। শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।

প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে ৭তারিখ পর্যন্ত দিন গোলয়া গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন সারাদিন কীর্তন ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়। মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়।

ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান, এক সময় গোলয়া গ্রামের প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন। পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি। গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি।

গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী, শ্রীপুর, রঘুনাথপুর, সিকদার চালা, বেড়া চালা, শিমুলচালা, সোনাতলা, তালতলী, বাঁশতলী,গাছবাড়ী সহ আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন।

শিক্ষক বিদ্যা সাগর রায় জানান, পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।

শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান,গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে। পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে। কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট, সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।

দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক, যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Ajker Pratidin গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ©২০১৮-২০২৫ ajkerpratidin.com সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Design BY POPULAR HOST BD